Skip to main content

এ.আই.ডি.এস.ও 'র প্রতিষ্ঠা দিবসে জেলা কমিটির ডাকে ছাত্র মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ ,শ্রম আইন ও সর্বনাশা কৃষি আইন ২০২০ বাতিল করার দাবিতে এবং  শিক্ষা কে বেসরকারিকরণ-সাম্প্রদায়িকীকরণ করার প্রতিবাদে,মদ নিষিদ্ধ করার দাবিতে,জল- জঙ্গল -জমি ও শিক্ষার অধিকার রক্ষার দাবি সহ একাধিক দাবিতে এআইডিএসও(AIDSO )


হুগলি জেলা কমিটির ডাকে সংগঠনের ৬৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসে শ্রীরামপুর শহর জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও শ্রীরামপুর স্টৈশন চত্তরে প্রতিবাদী ছাত্র  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মতো। হুগলি মহসিন কলেজ, চন্দন গর গভমেন্ট কলেজ, শ্রীরামপুর কলেজ সহ অন্যান্য কলেজের ছাত্র কমরেডরা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের পাশাপাশি গান , কবিতা ও জেলার নাট্যগোষ্ঠী 'চরৈবতী' কর্তৃক কৃষি আইন ২০২০র বিরুদ্ধে নাটক 'একটা দাবির জন্য' পরিবেশিত হয়। এই ছাত্র সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এআইডিএসও রাজ্য অফিস সম্পাদক কমরেড প্রভাশিষ দাস,জেলা সম্পাদক কমরেড শঙ্কর দাস , সভার সভাপতি কমরেড ভোলা রায় সহ অন্যান্য নেতা নেত্রী বৃন্দ। জেলা সম্পাদক বলেন মার্কসবাদ -লেনিনবাদ ও কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারায় গঠিত বিপ্লবী এই ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে সারা দেশ জুড়ে আজকের দিনটা শিক্ষার ওপর নেমে আসা আক্রমণের বিরুদ্ধে এবং  কেন্দ্র -রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতি গুলির বিরুদ্ধে আন্দোলন এর মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে।সারা হুগলী জেলা জুড়ে এই আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ছে।এই সমাবেশে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

Comments

ঝলকে ৫

সচেতনতার বার্তা নিয়ে রাস্তায় সমাজসেবী - Janobarta Digital

জনবার্তা প্রতিবেদন: কোরোনা  যুদ্ধে জয়লাভ করতে হলে কি কি করণীয় তা রাস্তায় লিখে বার্তা দিলেন সমাজসেবী সুব্রত কুন্ডু। সারাবছরই নানা সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেনা তিনি ।লকডাউনের সময় মানুষের পাশে সবসময় তার উজ্জল উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। চাল , ওষুধ নিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন একাধিক মানুষের কাছে। মানুষ যাতে ঘরে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার বার্তা চুঁচুড়া ও চন্দননগরের বিভিণ্ণ এলাকায় তিনি লিখেছেন । তার দাবী যে ভাবে ভারতবর্ষ লড়াই করছে তাতে এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত ।

রাখী বন্ধনে সৌভ্রাতৃত্বর ছবি চুঁচুড়ায়

  একনজরে প্রতিবেদন : আজ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাখী বন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়।পথচলতি মানুষদের হাতে রাখী পরিয়ে সৌভ্রাতৃত্বর বার্তা দেওয়া হয়।আয়োজক শ্রাবণী দাস বলেন এই উত্তাল সময়ে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অসিত মজুমদার উপস্থিত হয়ে বলেন - 

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি। প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায় : ধীমান ব্রহ্মচারী

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি।প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায়: ধীমান ব্রহ্মচারী (ক) 'এই তো, রাত্রি এলো। বলো,এখন তোমার কথা বল।' আমরা যারা কবিতাকে আঁকড়ে নিয়ে সর্বদা বেঁচে থাকি,তারা হয়তো জানি কবিতা কী?কেন?কীভাবে?কখন?-এরকম অনেক প্রশ্নচিহ্ন দিয়ে তৈরি করা যায় কবিতার দেহ।কবিতার শরীর।আর এই কবিতার আলোচনায় যখন আসেন আমাদের কাছের বাংলা ভাষার এক সহজিয়া কবি।নাম শঙ্খ ঘোষ।একটা পুরো জীবন কেটে যাবে শঙ্খ ঘোষকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে।আবার তারচেয়েও বড় কথা এক জীবনের আমার মতো ছোট্ট জীবন দেখা মানুষের বিরাট জীবন দেখাও হয়ে উঠবে না,এই স্বল্প পরিসরের চলার পথে।আসলে মানুষ তার চেতনার মধ্যে সর্বদা খুঁজে বেরান তার অস্তিত্ব।সেই অস্তিত্বের স্বরূপ একজন কবি খুঁজে পান তাঁর চেতনায়,কাব্য সাধনার মধ্য দিয়ে।আমাদের শঙ্খ ঘোষও এর ব্যতিক্রম নন। কবিতা ও কবি' এই শব্দ দুটিই আমাদের সমাজ জীবনের পথে প্রভাব ফেলে।এবং এই প্রভাব যে কি পরিমানে তার ইয়ত্তা নেই।পূর্ণেন্দু পত্রী তাঁর একটি বই(প্রসঙ্গ : শিল্প, সাহিত্য)এ একটি আলোচনায় লিখছেন,'এ কবিতা নিয়ে গভীর তাত্ত্বিক আলোচনার তর্ক-ঝড় বয়ে গেছে এক সময়,শঙ্খ...

নভেম্বর বিপ্লব বার্ষিকীতে চুঁচুড়ায় এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর সভা

একনজরে প্রতিবেদন:মহান নভেম্বর বিপ্লবের ১০৫ তম বার্ষিকীতে এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর চুঁচুড়া লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করা হয়। নভেম্বর বিপ্লবের তাৎপর্য ও শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড গোপাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'মহান নভেম্বর বিপ্লবের শিক্ষা নিয়ে ভারতবর্ষের বুকে সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষের ঐক্যকে সূদৃঢ় করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মার্ক্সবাদ -লেনিনবাদ -কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তার আলোকে জনগণের মধ্যে বিপ্লবী রাজনীতিকে নিয়ে যেতে হবে।'এই সভার সভাপতিত্ব করেন হুগলি জেলা কমিটি সম্পাদক কমরেড সন্তোষ ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সুবোধ সরকারের ৫০ বছরের কবি জীবন উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে ট্যাবলো উদ্বোধন

  একনজরে প্রতিবেদন: আগামী ৮ জুলাই এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে চলেছে শহর চুঁচুড়া। কবি সুবোধ সরকারের কবিতা জীবনের ৫০ বছর উদযাপন করতে চলেছে অমিত রে ক্রিয়েশন। সেই উপলক্ষে আজ সাহিত্যিক স্বপন মজুমদার উদ্বোধন করলেন একটি ভ্রাম্যমান ট্যাবলোর। উপস্থিত ছিলেন কবি সনৎ দে, দেবজাত, সূচন্দ্রিতা ঘোষাল সহ একাধিক কবি। ইতিমধ্যেই এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শহরে কিছু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজক অমিত রে বলেন - সুবোধ সরকারের রাজনৈতিক জীবন ও কবি জীবন সম্পূর্ণ দুটি আলাদা প্রেক্ষাপট আমরা সুবোধ সরকারকে প্রধানত কবি হিসাবেই এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত করতে চাই। তার রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে আমাদের অনুসন্ধান থাকলেও কবি জীবন সম্পর্কে উৎসাহ অনেক বেশি। সুবোধ সরকার বাংলা সাহিত্যে যে সৃষ্টির জন্ম দিয়েছেন এবং আগামী দিনে দেবেন তা বাংলা সাহিত্যকে ইতিমধ্যেই সমৃদ্ধ করেছে এবং আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেই আশা করি। দল-মত নির্বিশেষে সকল স্তরের সাহিত্যপ্রেমী মানুষকে ঐদিন বিকালে রবীন্দ্রভবনে উপস্থিত হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।