Skip to main content

Posts

শিরোনাম

রাজীব প্রয়াণে শ্রদ্ধায় পথে কংগ্রেস

  একনজরে প্রতিবেদন : প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ৩৬ তম প্রয়াণ দিবসকে সামনে রেখে পথে নামলো কংগ্রেস। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে এদিন দলের পক্ষ থেকে শহর চুঁচুড়ার প্রাণকেন্দ্র ঘড়ির মোড়ে একটি বিশেষ পথসভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্য কমিটির সদস্য ও চুঁচুড়া বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী মইনুল হক,স্বপন দে,শিক্ষক নেতা স্বরূপ সেনগুপ্ত,প্রাক্তন কাউন্সিলার রূপক চ্যাটার্জী,তুষার চক্রবর্তী, মনিরুল মোল্লা,অনুপম ঘোষ সহ একাধিক নেতৃত্ব।  ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে সরব হন বক্তারা। রাজনৈতিক হিংসা বিরুদ্ধে  সকলে মত প্রকাশ করেন। নবগঠিত সরকারের বুলডোজার নীতির কড়া সমালোচনা করা হয় এই সভা থেকে। মইনুল হক বলেন সরকারের কুরবানী নিতির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। তিনি সভা থেকে এই নীতির সঠিক প্রয়োগের দাবি জানান। মূল্য বৃদ্ধি সহ জীবনযাত্রা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন তরুণ কংগ্রেস নেতা অনুপম ঘোষ। তার বক্তব্যের মধ্যে আগামী দিনে মানুষ যে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়তে চলেছেন তার একটি রূপরেখা খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাক্তন কাউন্সিলর রূপক চ্যাটার্জি বলেন...
Recent posts

চুঁচুড়ায় এসে আমার দ্বিতীয় জন্ম হয়েছে: দেবাংশু

  একনজরে প্রতিবেদন: রবিবার সকাল সকাল প্রচারে বেরিয়ে চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ের সভা থেকে বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন হুগলির সাংসদ রচনা ব্যানার্জি ও তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য্য। বিজেপিকে বাংলা বিরোধী ও বাঙালি বিরোধী বলে উল্লেখ করেন রচনা দেবী। দেবাংশু ভট্টাচার্য্যকে বিপুল পরিমাণ ভোটে জেতানোর আবেদন জানান তিনি।দেবাংশু ভট্টাচার্য্য তার বক্তব্য রাখতে উঠে বলেন আমার জন্ম বালিতে কিন্তু চুঁচুড়ায় এসে আমার দ্বিতীয় জন্ম হয়েছে।তিনি আগামী দিনে চুঁচুড়ার জন্য কি কি করতে চান তার সুস্পষ্ট উল্লেখ করেন। ফুটপাথ নির্মাণ,চাকরি ক্ষেত্রে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ , হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,স্থায়ী প্রতীক্ষালায় নির্মাণের মত একাধিক কাজের কথা তিনি উল্লেখ করেন।রবিবারের সকালে রচনা ব্যানার্জি ও দেবাংশু ভট্টাচার্য্য র সভায় ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মত। সভায় চুঁচুড়ার তৃণমূল নেতৃত্ব সহ একাধিক কর্মী উপস্থিতি ছিলেন। তবে এই সভায় দেখা যায়নি বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারকে।

প্রার্থী ঘোষণা হতেই চুঁচুড়ায় তৃণমূল কর্মীদের উচ্ছ্বাস

  একনজরে প্রতিবেদন: বিকালেই ঘোষণা হয়েছে ২৯১ টি কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। এবারে হুগলি জেলার সদর শহর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। সোশ্যাল মিডিয়া জগতে দেবাংশু অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। গত লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। এবারে দলের টিকিট চুঁচুড়ায়। বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের টিকিট পাওয়া নিয়ে এবারে বেশ জটিলতা ছিল ।সবকিছুর অবসান হলো দেবাংশু ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হওয়ার পর। সন্ধ্যা থেকেই কর্মীদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। চুঁচুড়া প্রাণকেন্দ্র ঘুড়ির মোড়ে তৃণমূল কর্মীরা, জড়ো হয়ে গোলাপ ফুল ও মিষ্টি মুখ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগে মেতে ওঠে। চুঁচুড়ার মাটিতে পা রেখেই দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন নতুন চুঁচুড়া গড়াই আমার লক্ষ্য, যুব  সম্প্রদায় মা কাকিমা, সকলেই তার সাথে থাকবেন এ ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।সেই সাথে বিদায়ী বিধায়ক সম্পর্কে তিনি বলেন অসিত মজুমদার আমার পিতার বয়সি আমি নিশ্চয়ই তার সঙ্গে কথা বলব। প্রাক্তন পৌর প্রধান অমিত রায় বলেন দল যাকে মনে করেছে তাকেই প্রার্থী করেছে। ব্যক্...

এক অনবদ্য প্রদর্শনী: উমার একাল সেকাল

  একনজরে প্রতিবেদন: শহর চুঁচুড়ার দুর্গাপূজাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেবার জন্য এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে উমার শহর চুঁচুড়া ফেসবুক গ্রুপ। এই প্রথম চুঁচুড়ায় আয়োজিত হল দুদিন ব্যাপী চুঁচুড়া শহরের বিভিন্ন দুর্গাপূজার চিত্র প্রদর্শনী। ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি চুঁচুড়া ডিউক ক্লাবে মোট ৫০ টি বারোয়ারি ও ১০ টি বাড়ির পুজোর অংশগ্রহণে এই আয়োজন অসামান্য হয়ে ওঠে। প্রায় ৫০০ টি ছবি, দুষ্প্রাপ্য দলিল ও পত্রিকা এই প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়। দুদিন ই এলাকার মানুষের উৎসাহ ছিলো চোখে পড়ার মতো।এ প্রসঙ্গে সংগঠনের সদস্য সৌম্য শীল বলেন -

৫৩ লক্ষ টাকার বই বিক্রি ১৭ তম হুগলী চুঁচুড়া বইমেলায়

  একনজরে প্রতিবেদন: শেষ হল ১৭ তম হুগলি চুঁচুড়া বইমেলা এ বছর বইমেলায় মোট বিক্রি ৫৩ লক্ষ টাকার যা গত বছরের থেকে সামান্য কিছু বেশি। বইয়ের স্টলের পাশাপাশি লিটল ম্যাগাজিন স্টল থেকে বিক্রি হয়েছে ৫০ হাজার টাকার কিছু বেশি। বইমেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল প্রতিদিন গড়ে লোক এসেছে প্রায় দু হাজার। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৫৮৬ জন শিল্পী। কবিতা পাঠ করেছে ২৩৬ জন কবি। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা অনিন্দ্যপুলক ব্যানার্জি। এই বিশাল আয়োজন সবটাই বইপ্রেমীদের জন্য। বইমেলার যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকি  জানান বইয়ের জন্য মানুষের উন্মাদনা চাক্ষুষ করতে হলে তার আদর্শ জায়গা হুগলি চুঁচুড়া বইমেলা। তিনি আরও জানান আগামী বছর ১২ ডিসেম্বর শুরু হবে ১৮ তম মেলা।

প্রথম দিনেই উন্মাদনা তুঙ্গে ;১৭ তম হুগলী চুঁচুড়া বইমেলা

  একনজরে প্রতিবেদন: প্রথম দিনেই উন্মাদনা তুঙ্গে উঠলো ১৭ তম হুগলী চুঁচুড়া বইমেলার। শনিবার সন্ধ্যা নামতেই লোকের ভিড় লক্ষ্য করা গেল বইমেলা প্রাঙ্গণে। বই নেড়েচেড়ে দেখা সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আড্ডার মেজাজে জমে উঠল হুগলি চুঁচুড়া বইমেলা। বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল প্রথম দিনেই সারা যথেষ্ট ভালো। লিটিল ম্যাগাজিনের টেবিল থেকেও ক্রেতাদের লিটিল ম্যাগাজিন কেনা যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। মেলা সম্পাদক গোপাল চাকি জানান প্রথম দিনেই এই উৎসাহ আগে কোন বছর দেখা যায়নি। আশা করছি আগামী দিনে  বইমেলাকে মানুষ উজাড় করে দেবেন। ১৭ তম হুগলি চুঁচুড়া বইমেলা প্রসঙ্গে এবং অধ্যায় প্রকাশনীর ধীমান ব্রহ্মচারী জানান -

নতুন করে যাত্রা শুরু চুঁচুড়ার অজন্তা শোরুমের

  একনজরে প্রতিবেদন: শহর চুঁচুড়ায় নতুন করে পথ চলা শুরু হলো অজন্তা শোরুমের। জুতোর জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম অজন্তা। ছোট থেকে বড় সবার সব ধরণের জুতোর অবিশ্বাস্য সম্ভার অজন্তা শোরুমে। শোরুম উদ্বোধন করে হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান পার্থ সাহা বলেন ছোট থেকে অজন্তার জুতো পরে আসছি,আলাদা একটা আরাম আছে, তাই বরাবরের পছন্দ অজন্তা। উদ্বোধন উপলক্ষে শোরুমে আজ ছিল বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা, ছাড়কে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

হেঁটেই বার্তা বই কিনুন বই পড়ুন

  একনজরে প্রতিবেদন: বই ও সুস্থ সংস্কৃতির জন্য ১৭তম হুগলি-চুঁচুড়া বইমেলা কমিটির উদ্যোগে এক রঙিন পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হলো ৭ ডিসেম্বর চুঁচুড়ার পিপুলপাতি থেকে চুঁচুড়া ময়দান পর্যন্ত। শহরের ১০০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি, শিল্পীরা এই পদযাত্রায় অংশ নেন। ক্লাব ব্যাণ্ড, একাধিক ট্যাবলো, রং-বেরঙের পতাকায় সুসজ্জিত এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকী, সমকাল ও বিবৃতির সম্পাদক অরিত্র শীল, অভিক্রম পত্রিকার সম্পাদক অমিত, সংগীতশিল্পী রাজীব চক্রবর্তী, আবৃত্তিশিল্পী সবুজ পালের মতো বিশিষ্টরাও। প্রসঙ্গত ১৩ থেকে ২১ ডিসেম্বর চুঁচুড়া ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে এই বইমেলা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে শহর চুঁচুড়া একটি সপ্তাহ আনন্দে মেতে ওঠে। মেলার সম্পাদক গোপাল চাকী বলেন -আজকাল বই পড়েনা বলে একটি কথা চালু আছে,কিন্তু আমাদের মেলায় ৫২ লক্ষ টাকার বই বিক্রি এটাই প্রমাণ করে যে মানুষ বই পড়ে এবং এখনও বই এর টানে মেলায় আসে। গোপাল চাকী আরও জানান, এ বছর হুগলি চুঁচুড়া বইমেলায় আরো বেশি বইপ্রেমী মানুষের অংশগ্রহণ করবেন বলেই তার বিশ্বাস।সমকাল ও বিবৃতি পত্রিকার সম্পাদক অরিত্র শীল বলেন, এবছর হুগলি চুঁচুড়া বইমে...