Skip to main content

নতুন করে যাত্রা শুরু চুঁচুড়ার অজন্তা শোরুমের

 


একনজরে প্রতিবেদন: শহর চুঁচুড়ায় নতুন করে পথ চলা শুরু হলো অজন্তা শোরুমের। জুতোর জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম অজন্তা। ছোট থেকে বড় সবার সব ধরণের জুতোর অবিশ্বাস্য সম্ভার অজন্তা শোরুমে। শোরুম উদ্বোধন করে হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান পার্থ সাহা বলেন ছোট থেকে অজন্তার জুতো পরে আসছি,আলাদা একটা আরাম আছে, তাই বরাবরের পছন্দ অজন্তা। উদ্বোধন উপলক্ষে শোরুমে আজ ছিল বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা, ছাড়কে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।






Comments

ঝলকে ৫

বলাগড়ে আন্দোলনে নামল এস.ইউ.সি.আই (কমিউনিস্ট)

  সংবাদ একনজরে, বলাগর: বামপন্থী দল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট )এর রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতি গুলির বিরুদ্ধে ১থেকে ৭ জুলাই এক সপ্তাহব্যাপী যে প্রতিবাদ দিবসের ডাক দিয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় আজ বলাগড় ব্লক কমিটির পক্ষ থেকে বলাগড় বিডিও কে পেট্রোল, ডিজেল ,রান্নার গ্যাস ও কেরোসিন তেলের বিপুল পরিমাণ ট্যাক্সের টাকা প্রত্যাহার করে দাম কমানো, কৃষি বিল-২০২০, বিদ্যুৎ বিল-২০২০ বাতিল , স্বজন পোষণ না করে ১৮থেকে ৪৪বছর বয়সী সকলকে দ্রুত ভ্যাকসিন প্রদান,বলাগড় ব্লকের রেয়ন মিল সহ সমস্ত বন্ধ কল-কারখানা খোলা, সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে সর্বক্ষণের জন্য ডাক্তার নিয়োগ , ব্লক অন্তর্গত বন্ধ হয়ে যাওয়া বহু রিভার পাম্প গুলির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করে চালু করা, বেহুলা খালসহ অন্যান্য খাল সংস্কার -এই দাবি গূলি সহ ১৪ দফা দাবিতে আজকে ডেপুটেশন দেয় তারা। বিডিও সাহেব দাবিগুলির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। ব্লকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসইউসিআই কর্মী-সমর্থকরা জিরাট বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ দেখান এবং নরেন্দ্র মোদীর কুশপুত্তলিকা ও কৃষিবিল -২০২০ দাহ করেন।এরপর এ...

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।