Skip to main content

ফুলপুকুর যুব সংঘের ২১ তম রক্তদান শিবির

 


একনজরে প্রতিবেদন :২১ তম রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো ফুলপুকুর যুবসংঘের উদ্যোগে।ফুলপুকুর দূর্গা মণ্ডপে ৭০ জন রক্তদান করলেন, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলো  চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ,প্ৰাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজ সেবী মইনুল হক,পৌরপিতা ১৭ নাম্বার ওয়ার্ড রত্না অধিকারী সহ একাধিক নেতৃত্ব। ফুলপুকুর যুব সংঘের সম্পাদক অনুপম ঘোষ জানান - রক্তদান একটি মহৎ দান যেহেতু রক্ত আলাদা করে তৈরি করা যায় না তাই দানের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সবথেকে সহজ উপায় এটি। তিনি আরও জানান প্রতিবছর এই রক্তদান শিবির কে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে উন্মাদনা দেখা যায় তা অনস্বীকার্য। 



Comments

ঝলকে ৫

নতুন করে যাত্রা শুরু চুঁচুড়ার অজন্তা শোরুমের

  একনজরে প্রতিবেদন: শহর চুঁচুড়ায় নতুন করে পথ চলা শুরু হলো অজন্তা শোরুমের। জুতোর জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম অজন্তা। ছোট থেকে বড় সবার সব ধরণের জুতোর অবিশ্বাস্য সম্ভার অজন্তা শোরুমে। শোরুম উদ্বোধন করে হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান পার্থ সাহা বলেন ছোট থেকে অজন্তার জুতো পরে আসছি,আলাদা একটা আরাম আছে, তাই বরাবরের পছন্দ অজন্তা। উদ্বোধন উপলক্ষে শোরুমে আজ ছিল বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা, ছাড়কে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

আর জি কর কান্ডে প্রতিবাদে নামলো চুঁচুড়া কোর্টের আইনজীবীরা

  একনজরে প্রতিবেদন: আজ হুগলী জেলা জজ আদালত এর তরফ থেকে  আর জি কর হাসপাতালের এর  লজ্জাজনক ঘটনার বিরুদ্ধে  মিছিল এর আয়োজন করা হয় চুঁচুড়া কোর্ট থেকে ঘড়ির মোড় পর্যন্ত। চুঁচুড়া কোর্টের প্রায় তিন শতাধিক আইনজীবি   প্রতিবাদ জানান ঘড়ির মোড়ে।we want justice কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে ঘড়ির মোড় চত্বর। আইনজীবী নূতন রায় এবং সৌমি আগরওয়াল দাবি জানান  - মেয়েরা যদি নিজেই নিজের কর্ম স্থলে সুরক্ষিত না হয় তাহলে আর কোথায় থাকবে? জোর গলায় তারা বলেন আমরা আমাদের সুরক্ষা চাই। সেই সাথে যুক্ত করেন আমরা চাই এই case এর speedy trial যাতে এই মামলার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিষ্পত্তি হয় এবং  দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হয়।

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।