Skip to main content

হুগলী জেলা পরিষদের নয়া বোর্ড গঠন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চুঁচুড়ায় - Janobarta Digital


শপথ গ্রহণ মঞ্চ
রাজেশ মন্ডল, হুগলী: হুগলী জেলা পরিষদের বোর্ড গঠন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো আজ। আজ সকালে চুঁচুড়া রবীন্দ্র ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, তপন দাসগুপ্ত, অসীমা পাত্র সহ হুগলীর জেলাশাসক জগদীশ প্রসাদ মীনার সহ উছপদস্থ আধিকারিক ও তৃণমূলের নেতানেত্রীদের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। 
শুভেচ্ছা গ্রহণ করছেন জেলা পরিষদের পুনঃ নির্বাচিত সভাপতি শেখ মেহবুব রহমান
হুগলীর জেলা পরিষদের সভাপতি পদে দ্বিতীয় বারের জন্য পুনর্নির্বাচিত হন শেখ মেহবুব রহমান এবং সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হন সুমনা সরকার। এছাড়াও জেলা পরিষদের সমস্ত সদস্য ও সদস্যারা শপথ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে তাঁদের কার্যভার গ্রহন করেন। 

মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, আমরা সকলেই এক পরিবারের অংশ। যেখানে দিদির মতামতই চূড়ান্ত, আমরা সকলেই দিদির কথা শুনি ও অনুপ্রেনিত হই। আমি আশাবাদী এদের যে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষের পাশে থাকার জন্য এরা সমস্তটাই নিষ্ঠা সহকারে পালন করবে।
শুভেচ্ছা গ্রহণ করছেন জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত সহ সভাপতি সুমনা সরকার 
 অন্যদিকে জেলা পরিষদের পুনর্নির্বাচিত সভাপতি শেখ মেহবুব রহমান বলেন, খুবই আনন্দিত আজকে আমি। দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হয়ে মনে হচ্ছে দ্বায়িত্ব আরও দ্বিগুন বেড়ে গেল। পাশাপাশি নব নির্বাচিত সহ সভাপতি সুমনা সরকার বলেন, খুবই আনন্দ হচ্ছে। 
অনুষ্ঠানের শেষে রবীন্দ্রভবন থেকে ঘড়ির মোড়র উদ্দেশ্যে বিজয় মিছিল
আমি ধারনাই করতে পারিনি যে আমায় এই পদে আনা হবে। মানুষের ভালোবাসা পেয়েই আজ আমি এই জায়গায়। আমার সবটা দিয়ে চেষ্টা করবো যাতে সাধারণ মানুষর মুখে সবসময়  হাসি বিরাজ করে।।

ADVERTISEMENT

Comments

ঝলকে ৫

প্রার্থী ঘোষণা হতেই চুঁচুড়ায় তৃণমূল কর্মীদের উচ্ছ্বাস

  একনজরে প্রতিবেদন: বিকালেই ঘোষণা হয়েছে ২৯১ টি কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। এবারে হুগলি জেলার সদর শহর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। সোশ্যাল মিডিয়া জগতে দেবাংশু অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। গত লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। এবারে দলের টিকিট চুঁচুড়ায়। বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের টিকিট পাওয়া নিয়ে এবারে বেশ জটিলতা ছিল ।সবকিছুর অবসান হলো দেবাংশু ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হওয়ার পর। সন্ধ্যা থেকেই কর্মীদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। চুঁচুড়া প্রাণকেন্দ্র ঘুড়ির মোড়ে তৃণমূল কর্মীরা, জড়ো হয়ে গোলাপ ফুল ও মিষ্টি মুখ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগে মেতে ওঠে। চুঁচুড়ার মাটিতে পা রেখেই দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন নতুন চুঁচুড়া গড়াই আমার লক্ষ্য, যুব  সম্প্রদায় মা কাকিমা, সকলেই তার সাথে থাকবেন এ ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।সেই সাথে বিদায়ী বিধায়ক সম্পর্কে তিনি বলেন অসিত মজুমদার আমার পিতার বয়সি আমি নিশ্চয়ই তার সঙ্গে কথা বলব। প্রাক্তন পৌর প্রধান অমিত রায় বলেন দল যাকে মনে করেছে তাকেই প্রার্থী করেছে। ব্যক্...

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।

চুঁচুড়া'র তুলাপট্টি ঘাটকে প্লাস্টিক বর্জিত ঘাট হিসাবে ঘোষণা করা হলো

রাজেশ মন্ডল, হুগলী : বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চুঁচুড়া স্ট্র‍্যান্ড রোড অঞ্চলের তুলাপট্টি ঘাটকে প্লাস্টিক বর্জিত ঘাট বলে ঘোষণা করা হলো। গতকাল সকালে এই কর্মসূচীতে যোগদান করেন পর্ষদ নিয়ন্ত্রণের জয়েন্ট সেক্রেটারি অভিজিৎ বসু, চিফ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ঘোষ, হুগলী চুঁচুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান গৌরিকান্ত মুখার্জি,  স্যানেটারী অধিকারিক হিমাংশু চক্রবর্তী। এদিনের এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ বর্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে গৌরিকান্ত বাবু সহ অন্যান্য আধিকারিকরা বলেন.... দেখুন ভিডিও.... ADVERTISEMENT For Advertisement : 7003752522 (Call Only) একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে... OFFICIAL BLOGPOST OF EKNOJORE HOOGHLY CHUCHURA

তোলাফটক বাসন্তী পুজো কমিটির ৬২তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা - Janobarta Digital

রাজেশ মন্ডল: চুঁচুড়া তোলাফটক এম,জি রোড বাসন্তী মাঠ যুব সংঘের 62 তমবষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ টি ইভেন্টে শতাধিক পুরুষ ও মহিলা অংশগ্রহণ করে। বাচ্চা দের বিস্কুট দৌর, গুলি চামোচ, বোম্ববেলাট, কানামাছি, মেমোরি টেস্ট, মোমবাতি ধরানো ও যেমন খুশি তেমন সাজো। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ক্লাবের সভ্য সভ্যারা।।

একনজরে ইতিহাসের পাতায় হুগলীর পন্ডিত রামগতি ন্যায়রত্ন

পন্ডিত রামগতি ন্যায়রত্ন রামগতি ন্যায়রত্নের ভগ্নপ্রায় বাড়ি  শুভদীপ দে : ‘রামগতি ন্যায়রত্ন’ - নামটি আজ অনেকের কাছেই বেশ খটকা লাগার বিষয়বস্তু। একদা বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক রামগতি ন্যায়রত্ন -র ১৮২ তম জন্মদিন পার হল কয়েকমাস আগেই হুগলী জেলার খন্যানের ইলছোবা গ্রামে হলধর চূড়ামনি ও অঙ্গরাদেবীর পুত্র রামগতি বন্দ্যোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৩১ সালে ৪ জুলাই বাল্যকালে গ্রামের পাঠশালাতেই শুরু পড়াশোনা। ১৮৪৪ সালে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি ‘রামগতি ন্যায়রত্নের’ জীবনে টার্নিং পয়েন্ট। এই কলেজে পড়াকালীন তিনি বিদ্যাসাগরের সংস্পর্শে আসেন। অল্প দিনের মধ্যেই অসামান্য পান্ডিত্যের জোরে বিদ্যাসাগরের প্রিয় ছাত্র হয়ে ওঠেন ১৮৪৯ সালে। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অসামান্য ফল লাভের জন্য ৮ টাকা মাসিক বৃত্তি লাভ করেন ১৮৫১ সালে। সিনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মাসিক ২০ টাকা বৃত্তি লাভ করেন এই কৃতিত্ব। খুব কম বাঙালীরই আছে। ১১ বছর অধ্যায়নের পর ১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগর কর্তৃক ‘ন্যায়রত্ন’ উপাধি পান। তার খ্যাতি ছড়িয়ে পরে সমগ্র বাংলা জুড়ে। ১৮৫৬ সালে ‘হুগলী নর্মাল স্কুলে’ দ্বিতীয় শিক্ষক পদে। যোগদান করেন রামগতি...