Skip to main content

ক্যানভাস গ্রূপের আয়োজনে চুঁচুড়া'য় অনুষ্ঠিত হলো এক ওয়ার্কশপের

নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্তমানে ছোট ছেলে মেয়েদের আঁকা, নাচ, গান সহ বেশ কিছু ফিল্ডেই যুক্ত করে দেন অভিভাবকরা। কিন্তু এই পুঁথিগত বিদ্যার যুগে সেটাকে একটা ঘরানায় চালিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় হয়না বললেই চলে, কারণ একটাই বড়ো হয়ে সে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবে, ছেলে বা মেয়েকে ভালো করে লেখা পড়া শিখিতে হবে। আঁকা শিখে বা নাচ, গান শিখে হবেটা কি ?? এই ধারণায় এগিয়ে চলেছে সমাজ, সেই ছোট বাচ্ছাটার মধ্যে ইচ্ছা থাকলেও বা দক্ষতা থাকলেও জায়গা নেই প্রকাশ করবার, কারণ সে বড়ো হয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিলেত যাবে। এই ধারণা হেলায় উড়িয়ে দিল আজ চুঁচুড়া'র "ক্যানভাস" গ্রূপ। চুঁচুড়া'র কনকশালীর তিন শতাধিক বছর পুরোনো নিয়োগী বাড়ির দুর্গা দালানে "ক্যানভাস" গ্রূপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল এক আর্টিস্ট ওয়ার্কশপের। এই ওয়ার্কশপে মূলত "ক্যানভাসের" ছাত্র ছাত্রীরা তাদের নিজেদের প্রতিভা সাধারণ মানুষের সামনে ফুটিয়ে তুললো। আজ সকাল ১০টায় শুরু হয় এই ওয়ার্কশপ, এখানে অংশগ্রহণ করে প্রায় ২০ জনেরও বেশি চিত্রশিল্পী, কেউ চাকুরিজীবি আবার কেউ ছাত্র অথবা ছাত্রী। এর আগেও ক্যানভাস গ্রূপ তাদের চিত্র প্রদর্শন করে চন্দননগর ফ্রেঞ্চ মিউজিয়াম কক্ষে, এটা তাদের প্রথম ওয়ার্কশপ।এই ওয়ার্কশপ প্রসঙ্গে ক্যানভাসের কর্নধার পুস্পেন নিয়োগী বলেন.....

                    



ADVERTISEMENT





একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে...


Official Blogpost of Eknojore Hooghly Chuchura

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।