Skip to main content

মঞ্চস্থ হলো আকাশ কুসুম

 

একনজরে প্রতিবেদন:পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির সহায়তায় সম্প্রতি নয়াবাদ কালচারাল সোসাইটি ‘আকাশ কুসুম’ নাটক মঞ্চস্থ করলো মুক্তাঙ্গন রঙ্গালয়ে। 

নাটকের প্রধান চরিত্র আকাশবাবু, একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ। প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন, মাইনে যা, তাতে কোনোমতে সংসার চলে। হঠাত করে বাড়তি খরচ হয়, তাই প্রভিডেন্ট ফান্ড ফাঁকা । তাঁর স্ত্রী অনুরুপা, শিক্ষিত গৃহবধূ। মেয়ে কুসুম ব্যবসা করে, সংসারে হাল ফেরাতে চায়। গতানুগতিক জীবনে আকাশবাবু একদিন অসুবিধায় পড়ে যান, চাকরি যায় যায় । এই সংকট থেকে উপায় হিসেবে তারা কি অন্য রাস্তা খুঁজে পাবে? সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বহু প্রচলিত এক কবিতায় সমাপতন ঘটে এই নাটক । আকাশ কুসুম এখনকার বাস্তব জীবনের সমস্যাকে তুলে ধরেছে । অনিশ্চয়তা জীবনের পাশাপাশি চলতে থাকে সুখ দুঃখের ঢেউ । ইচ্ছা থেকেই আসে চাহিদা, তারপর কামনা, ইচ্ছাপূরণ না হলে হতাশা । আবার বদল না হলে কিসের এই জীবন ? এক যুগোপযুগী নাটক আকাশ কুসুম । নাটকটি লিখেছেন সবিতাব্রত রায় এবং পরিচালনাও তাঁরই। বেশ সহজভাবে উপস্থাপনা করেছেন তিনি । সবিতাব্রত রায়ের পরিচ্ছন্ন নির্দেশনা এই নাটকটিকে বেশ উপভোগ্য করে তোলে, কোথাও এতটুকু বাড়াবাড়ি নেই । গণেশ দাসের মঞ্চ, সীমা মজুমদারের পোশাক পরিকল্পনা, রমেন চক্রবর্তীর রূপসজ্জা, সৌমেন দত্তের আবহ এবং গোপাল ঘোষের আলো, নাটকটির সাথে সুরে সুর মিলিয়ে চলে । 

সৌম্য মজুমদার ( আকাশ ), শর্মিষ্ঠা রায় ( অনুরুপা ), সায়নী দুবে ( কুসুম ), রাজা বর্ধন ( রায়সাহেব ) , রোহিত সিংহ রায় ( প্রতীক ), গোপাল সর্দার ( বিধান ) এবং বিরাজ সরকার ( নন্দলাল ) প্রশংসনীয় অভিনয় করেছেন । বর্তমান সময়ে এই নাট্য প্রযোজনা অত্যন্ত জরুরী ।

Comments

ঝলকে ৫

১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে চন্দননগর নাগরিক সমাজ

একনজরে প্রতিবেদন : বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা চলাকালীন ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসলো চন্দননগর নাগরিক সমাজ ও চন্দননগর IMA শাখা। আজ সকাল নটা থেকে রাত নটা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক মানুষ চন্দননগর IMA ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান,সাথে ছিলো অনশন। তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে স্ট্রান্ড চত্বর । এ প্রসঙ্গে সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু দত্ত বলেন - পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। অমরা এই দিন দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বিচার এখনও আমরা পাই নি।আন্দোলন চলবে,অমরা শেষ দেখে ছাড়বো। সংগঠনের পক্ষে ডাক্তার আলোক রায়চৌধুরী বলেন -