Skip to main content

এসইউসিআই(কমিউনিস্ট) পার্টির ৭৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসে সমাবেশ

 




দীপঙ্কর মণ্ডল, সংবাদ একনজরে:চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়, শ্রীরামপুর এবং নালিকুলে SUCI(C) এর ৭৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে। চুঁচুড়ার সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অশোক সামন্ত, শ্রীরামপুরের সভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্য কমিটির সদস্য শ্রমিক নেতা দিলীপ ভট্টাচার্য, হরিপালের সভায় বক্তব্য রাখেন কলকাতা জেলা কমিটির সদস্য এবং শ্রমিক নেতা শান্তি ঘোষ। এছাড়াও চুঁচুড়ায় হুগলি লোকসভার প্রার্থী পবন মজুমদার, শ্রীরামপুরে শ্রীরামপুর লোকসভার প্রার্থী প্রদ্যুৎ চৌধুরী এবং হরিপালে আরামবাগ লোকসভার প্রার্থী সুকান্ত পোড়েল বক্তব্য রাখেন। 

‌ ব্রিটিশের করারগারে অনুশীলন সমিতির ভলেন্টিয়ার, তেইশ বছরের সদ্য যুবক কমরেড শিবদাস ঘোষ উপলব্ধি করেছিলেন তৎকালীন ভারতে কমিউনিস্ট নাম নিয়ে চলা দলগুলি কমিউনিস্ট পার্টি হিসাবে গড়েই উঠতে পারেনি। তিনি গুটি কয়েক হাতেগোনা তরুণ স্বাধীনতা সংগ্রামীকে সঙ্গে নিয়ে একটা নতুন ধরনের পার্টি গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) গড়ে তুলেছিলেন। আজ গোটা ভারতবর্ষে পার্টির কাজ সম্প্রসারিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৪২ টি এবং গোটা ভারতবর্ষে ১৫১ টি আসনে এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বর্তমানে, অসংখ্য ভাগে বিভক্ত বামপন্থী দল গুলোর নীতিহীন, ভোট সর্বস্ব, সুবিধাবাদী রাজনীতি প্রমাণ করে কমরেড শিবদাস ঘোষ কত অভ্রান্ত ছিলেন। চুঁচুড়ার সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা: অশোক সামন্ত কমরেড শিবদাস ঘোষের এই অদম্য লড়াই এবং দূরদর্শিতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন - 'বিজেপি সরকার গোটা দেশকে দেশী-বিদেশি কর্পোরেটের হাতে তুলে দিচ্ছে এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের ফ্যাসিস্ট রাজনীতি চালাচ্ছে। একমাত্র বামপন্থীরাই পারে বিজেপির এই ফ্যাসিস্ট রাজনীতিকে পরাস্ত করতে।' এর পাশাপাশি তৃণমূলের দুর্নীতি স্বজন পোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে তিনি বক্তব্য রাখেন। লোকসভার অভ্যন্তরে শ্রমিক কৃষক মেহনতি মানুষের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দিতে এসইউসিআই(কমিউনিস্ট) প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান।

 

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।