Skip to main content

সারা বাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন এর শান্তিপূর্ণ ধর্না কর্মসূচি

 


 একনজরে প্রতিবেদন:সারাবাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির ডাকে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি জেলায় জেলা শাসক অফিসে বেশ কিছু দাবিকে সামনে রেখে 23 টি জেলা তেই  অনির্দিষ্ট কালের ধর্না কর্মসূচি সংঘটিত হচ্ছে । সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ  কর্মসূচি পালিত হয় । 


            সারাবাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি মিডিয়া সেল এর পক্ষ থেকে মিডিয়া পার্সন তথা SBGSKS হুগলি জেলার কমিটির সদস্য লক্ষ্মীকান্ত দত্ত বলেন, লোকসভা নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে মা মাটি মানুষের নেত্রী মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভায় SAVRP দের কে সিস্টেমের মধ্যে আনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। দীর্ঘ কয়েক মাস অতিক্রান্ত হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সিস্টেমের মধ্যে সোশ্যাল অডিট ভিলেজ রিসোর্স পারসন দেরকে আনা হয়নি । 

            


  বর্তমানে সোশ্যাল অডিট ভি আর পি র অবস্থা খুবই করুন , 2015-16 অর্থ বর্ষে , পরীক্ষা পদ্ধতি মেনে নিয়োগ করা হয়েছিল সামাজিক নিরীক্ষা কাজ করার জন্য । মূলত এম জি এন আর ই জি এ , বাংলা আবাস যোজনা , জাতীয় সামাজিক সহায়তা প্রকল্প ,  র উপর । বছরে দুবার কাজ হবার কথা থাকলেও , বর্তমানে একবার মাত্র সামাজিক নিরীক্ষা কাজ প্রদান করা হয় । 



             2018 সালে মে মাসে বিজ্ঞপ্তি জারির মধ্য দিয়ে ভি আর পি দের কে বছরে মাত্র 60 দিনের কাজ প্রদান করা হয়েছিল , পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচিতে , দৈনিক মজুরি ছিল 150 টাকা । রাজ্য সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে আমরা রাসমণি রোডে সমাবেশ সংগঠিত করেছি এবং নবান্ন অভিযান সংঘটিত করেছি , সবদিক বিচার-বিবেচনা করে মাননীয়া দিদি আমাদেরকে 240 দিন কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন । যার বর্তমান মজুরি প্রতিদিন মাত্র 175 টাকা অর্থাৎ মাসে মাত্র তিন হাজার পাঁচশত টাকা । তাও প্রতিমাসে নিয়মিত আমরা পাইনা।

                 


  সারাবাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন হুগলি জেলা কমিটির সভাপতি  মাননীয় হরিসাধন রুইদাস জানান 2015-201 সালে  সর্বচ্চ নাম্বারের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ পরীক্ষা পদ্ধতি মেনে গ্রামীন সম্পদ কর্মী হিসাবে সামজিক নিরিক্ষার কাজের জন্য নিয়োগ হয়েছিলাম, যে কাজ বছরে দুই বার হওয়ার কথা, কিন্তু বর্তমানে বছরে একবার-ই আমাদের কে সেই কাজ প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আমদের কে বছরে 240 দিন পতঙ্গ বাহিত রোগ নির্ণয় এর কাজ করার মত সুযোগ করে দিয়েছেন । সেই কাজ আমরা সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে করি এবং দিনের শেষে মাত্র 175 টাকা পারিশ্রমিক পাই । আমরা  মাসে 20 দিন কাজ পাই অর্থাৎ মাসে 3500 টাকা সম্মানিক হিসাবে পেয়ে থাকি । VBDC ,  COVID 19, সহ SAVRP রা (গ্রামীন সম্পদ কর্মী ) আরো বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করেন যেমন জয় বাংলা খাদ্য সাথী , স্বাস্থ্য সাথী , আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া , ভোটার ভেরিফিকেশন , কৃষক বন্ধু , ফসল বীমা , বাড়ি বাড়ি ফুড কুপন ডিস্ট্রিবিউশন প্রভৃতি। 

              

       তিনি আরো বলেন এমত অবস্থায় আমরা এবং আমাদের পরিবার অনাহারে, অর্ধাহারে জীবনযাপন করছি । আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে কালিঘাটে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী  বাড়িতে, নবান্নে, পঞ্চায়েত দপ্তরে, স্বাস্থ্য দপ্তরে ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে আমাদের দুঃখ দুর্দশার কথা তুলে ধরে, সম্মান জনক মাসিক বেতনের আবেদন জানিয়ে  অনেক স্মারকলিপি জমা দিয়েছি । লোকসভা ভোটের সময় প্রতিটি  জনসভাতে আমরা হাজারে হাজারে উপস্থিত থেকেছি, সেই প্রতিটি জনসভার মঞ্চ থেকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী  আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন  “  লোকসভা নির্বাচনের পর গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের-কে সিস্টেমের মধ্যে এনে মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করবেন ” । আমরা ও আমাদের পরিবার আজও সেই শুভক্ষনের অপেক্ষায় আছি । সারা বাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন হুগলি জেলা কমিটির সভাপতি তথা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির চেয়ারম্যান মাননীয় হরিসাধন রুইদাস জানান আগামী দিনে SAVRP দের  62 বছর পর্যন্ত কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করা না হলে কলকাতার বুকে বাংলার 25000 ভিআরপি অনশন  আন্দোলনের সামিল হতে চলেছে ।

    


        SBGSKS হুগলি  জেলা কমিটির সদস্য লক্ষী কান্ত দত্ত  জানালেন নির্দিষ্ট দাবিগুলি:

1. মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী SAVRP দের সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

2. SAVRP-দের 1০০% সামাজিক নিরীক্ষার কাজে নিযুক্ত করতে হবে।

3. SAVRP-দের কর্ম নিশ্চয়তা প্রদান ও স্থায়ীকরন করতে হবে।

4. নূন্যতম 15০০০ টাকা মাসিক বেতন দিতে হবে।

5. SAVRP – দের স্বাস্থ্যসাথী ও জীবন বীমা চালু করতে হবে ।                           

   লক্ষ্মী কান্ত দত্ত  আরো জানান গত 15 ই জুলাই 2020 কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের কাছে প্রতি মাসে ই সোশ্যাল অডিট করাতে হবে, ORDER NO- M-11015/03/2020-RE-III(371554) পঞ্চায়েত গুলো তে চলা প্রতিটি প্রকল্পে ই কাজ চলাকালীন সোশ্যাল অডিট করাতে হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার এই মুহূর্তে সোশ্যাল অডিট এর বিষয়ে নির্বিকার । এই কনকারেন্ট সোশ্যাল অডিট হোক । মাননীয় ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট  স্যার ওয়াই রত্নাকর রাও মহাশয় এর কাছে আমরা দাবি করছি SBGSKS হুগলি জেলার কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ  SAVRP রা যাতে উপযুক্ত সম্মান ও উপযুক্ত মাসিক বেতন পেয়ে  খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে পারে তার ব্যবস্থা করুন। সরকার যাতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় অর্ডার পালন করে তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি স্যার।

                        



       আজকের হুগলি জেলার এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সারাবাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন হুগলি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি সনাতন মান্ডি , বলেন সত্যিই গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যে আছে খুব অসহায়তার মধ্যে দিন যাপন করতে হচ্ছে 3500 টাকায় সংসার অতিবাহিত করা অসম্ভব তাই আমরা চাই অনতিবিলম্বে ভি আর পি দের কে একটা সিস্টেমের মধ্যে আনা হোক। 

                          



               হুগলি জেলা কমিটির অন্যতম নেত্রী সোনালী পত্র , তিনি বলেন ভি আর পি দের কে 62 বছর পর্যন্ত কর্ম নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে ন্যূনতম 15 হাজার টাকা মাসিক বেতন দিতে হবে ,  প্রধান যে কাজ সামাজিক নিরীক্ষা কাজ 100% SAVRP দের দ্বারা করাতে হবে। সর্বোপরি SAVRP দের স্বাস্থ্য সাথী ও জীবন বীমা চালু করতে হবে । 

                         



            হুগলি জেলা কমিটির ক্যাশিয়ার সান্তনু প্রামানিক জানান করোনা পরিস্থিতির মত মহামারীর সময়ে আমাদেরকে বাড়ি বাড়ি ভিজিট করতে হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিদর্শন করতে হচ্ছে কিন্তু আমাদের কোনরকম সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই জীবন বীমা ও নেই। উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা কমিটির সহ-সম্পাদক সুজিত প্রামানিক , রা জানান হুগলি জেলার সহ বাংলার ভি আর পি দের কে কোভিড মোকাবিলার বিভিন্ন কাজ সামলাতে হচ্ছে কিন্তু তাদের জীবন বীমার কোন ব্যবস্থা নেই ।

Comments

ঝলকে ৫

সচেতনতার বার্তা নিয়ে রাস্তায় সমাজসেবী - Janobarta Digital

জনবার্তা প্রতিবেদন: কোরোনা  যুদ্ধে জয়লাভ করতে হলে কি কি করণীয় তা রাস্তায় লিখে বার্তা দিলেন সমাজসেবী সুব্রত কুন্ডু। সারাবছরই নানা সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেনা তিনি ।লকডাউনের সময় মানুষের পাশে সবসময় তার উজ্জল উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। চাল , ওষুধ নিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন একাধিক মানুষের কাছে। মানুষ যাতে ঘরে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার বার্তা চুঁচুড়া ও চন্দননগরের বিভিণ্ণ এলাকায় তিনি লিখেছেন । তার দাবী যে ভাবে ভারতবর্ষ লড়াই করছে তাতে এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত ।

রাখী বন্ধনে সৌভ্রাতৃত্বর ছবি চুঁচুড়ায়

  একনজরে প্রতিবেদন : আজ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাখী বন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়।পথচলতি মানুষদের হাতে রাখী পরিয়ে সৌভ্রাতৃত্বর বার্তা দেওয়া হয়।আয়োজক শ্রাবণী দাস বলেন এই উত্তাল সময়ে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অসিত মজুমদার উপস্থিত হয়ে বলেন - 

নভেম্বর বিপ্লব বার্ষিকীতে চুঁচুড়ায় এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর সভা

একনজরে প্রতিবেদন:মহান নভেম্বর বিপ্লবের ১০৫ তম বার্ষিকীতে এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর চুঁচুড়া লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করা হয়। নভেম্বর বিপ্লবের তাৎপর্য ও শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড গোপাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'মহান নভেম্বর বিপ্লবের শিক্ষা নিয়ে ভারতবর্ষের বুকে সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষের ঐক্যকে সূদৃঢ় করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মার্ক্সবাদ -লেনিনবাদ -কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তার আলোকে জনগণের মধ্যে বিপ্লবী রাজনীতিকে নিয়ে যেতে হবে।'এই সভার সভাপতিত্ব করেন হুগলি জেলা কমিটি সম্পাদক কমরেড সন্তোষ ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রথম দিনেই চরম উন্মাদনা হুগলি চুঁচুড়া বইমেলায়

  একনজরে প্রতিবেদন:শুরুর দিনেই হুগলী চুঁচুড়া বই মেলায় নজরকাড়া ভিড়। ৭৪ টি স্টল নিয়ে এবারের বইমেলা সজ্জিত। অন্যান্য বার যেখানে প্রথম দিন প্রকাশক ও বই বিক্রেতা স্টলে পেরেক মারতে ব্যস্ত থাকেন এবারে প্রথম দিন তারাই গুনে নিচ্ছেন টাকা। যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকরির কথায় এ দৃশ্য আগে চুঁচুড়া বইমেলা কখনো দেখেনি। ঘন্টা বাজিয়ে ১৪ তম হুগলী চুঁচুড়া বইমেলার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি সত্যম রায়চৌধুরী। এক প্রকাশক বলেন প্রথম দিনই বই বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় হাজার টাকার। প্রথম দিন থেকেই একাধিক অনুষ্ঠান ছিল অন্যতম আকর্ষণ।নাচ, আবৃত্তি ও গানের মধ্যে দিয়ে সমগ্র বইমেলার সন্ধ্যা ছিল জমজমাট।

হনুমান পুজো বাতিল করে ত্রাণ বিলি চুঁচুড়ায় - Janobarta Digital

সংবাদ একনজরে: চুঁচুড়ার পুরসভার ২১নং ওয়ার্ডের বড় বাজার পঞ্চমুখী মন্দিরের হনুমান পুজো বাতিল করে সেই অর্থে ত্রাণ সামগ্রী বিলি করলো পুজো কমিটি। জমায়েত এড়িয়ে চলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এই লকডাউনের প্রভাবে  কর্মহীন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পরা মানুষগুলোর মুখে হাঁসি ফোঁটাতে এই উদ্যোগ বলে জানান কমিটির সদস্য বিজয় কাহার। তিনি আরও জানান, আগামী দিনে আমরা আরও এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো। সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে আমরা মানুষের পাশে আমরা সর্বদা রয়েছি।।