Skip to main content

লকডাউন উঠলেই কি আগের জীবন ! উঠে আসছে একাধিক সম্ভাবনা


লকডাউন উঠলেই কি আগের জীবন ! উঠে আসছে একাধিক সম্ভাবনা


শুভদীপ দে: লকডাউন কবে উঠবে জানা নেই। কবে সম্পূর্ণ আগের জীবন পাবে দেশবাসী, জানা নেই। তবে সারা বিশ্ব জুড়ে যে সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে তা হলো করোনা কে সঙ্গী করেই বাঁচতে হবে। এমনটাই মত চিকিৎসক থেকে বিজ্ঞানী মহলের।
তাহলে কেমন হতে পারে আমাদের লকডাউন পরবর্তী জীবন? কতগুলি সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হলো-
১. মাস্ক বিহীন মুখ আমরা আর দেখতে পাবো না।
২. সোশ্যাল ডিসটেন্স আমাদের বজায় রাখতে হবেই।
৩. নিজেকে ও চারিপাশ কে পরিষ্কার রাখা বাধ্যতামূলক।
৪. হাত ধুতে হবে বারবার। যতই আমরা এই নিয়ে মিম বানাই না কেন।
৫. অবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
এ তো গেল সামাজিক জীবন এর কথা। এবার আসা যাক অর্থনৈতিক অবস্থার কথায়।


দীর্ঘ লকডাউন চলার ফলে অনেক সংস্থার অবস্থা সঙ্গীন। আগামী দিনে ঘুরে দাঁড়াবে কি করে? উত্তর খুঁজে হয়রান। একাধিক সংস্থার সার্ভে রিপোর্টে উঠে আসছে বেকারত্ব বাড়ার ইঙ্গিত। মুখ থুবড়ে পড়তে পারে পর্যটন শিল্প, বিমান ও বিমান পরিবহন। ছোটো ব্যবসায়ী রা ইতিমধ্যেই ব্যাপাক ক্ষতির মুখে। আগামী দিনে সরকার ইতিবাচক ভূমিকা না নিলে তাদের জীবনধারণ কষ্টকর হবে।
তবে সম্ভাবনা যে নেই তা নয়। আগামী দিনে লাভের মুখ দেখতে পারে অনেক সংস্থাই। বাড়তে পারে গাড়ির বাজার। বাড়বে বেশ কিছু ওষুধের বিক্রি। বাজার ভালো হতে পারে কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রীর।
তবে এগুলি সম্ভাবনার কথা।লকডাউন উঠলেই আসল পরীক্ষা। আমরা তাকিয়ে সেই দিকেই।

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।