Skip to main content

আট থেকে আশি, মকর সংক্রান্তিতে ঘুড়ির লড়াইয়ে মাতল 'শহর শ্রীরামপুর' - Janobrta Digital


রাজেশ মণ্ডল, হুগলী:  মুখপোড়া, পেটকাটি,চাঁদিয়াল,দিশি আরো কত কি। মকরসংক্রান্তি র দিনে হুগলী জেলার শ্রীরামপুর শহরে আকাশ জুড়ে শুধুই ঘুড়ি র মেলা। বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে ঘুড়ি ওড়ানোর রেওয়াজ রয়েছে। শ্রীরামপুর শহরে তা পৌষ সংক্রান্তির দিনে। সকাল থেকেই বিভিন্ন বাড়ীর ছাদে কেউ আবার ফাঁকা মাঠে তারস্বরে গান চালিয়ে ঘুড়ি ওড়াতে ব্যাস্ত। কেউ অন্যের ঘুড়ি কাটতে আবার কেউ কেটে গেলেই আওয়াজ ভোওওওও কাট্টা। 
তবে এই রেওয়াজ আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগেও যতটা রমরমা ছিল দিন এবং কালের পরিবর্তনে ক্রমশ বিলুপ্তির পথে। একে কর্মব্যস্ততা তার ওপর ঘুড়ি সুতোর দাম সব মিলিয়ে অনেক হুযুগে যুবকই ব্যাপারটি থেকে সরে আসছেন। শ্রীরামপুর এর এক যুবকের কথায় "আগে পৌষসংক্রান্তি র সপ্তাহ খানেক আগে থেকে কাঁচ গুড়ো করে শাবুর মাঞ্জা তৈরী হত।" চেন, গান,বর্ধমান বিভিন্ন রকমের সুতো কিনে তাতে মাঞ্জা দেওয়ার চল থাকলেও এখন সেই যায়গা নিয়েছে চিনে প্লাস্টিক সুতো। যা নষ্ট হয় কম ফলে তার থেকে পাখি থেকে মানুষ সবারই ক্ষতির খবরও বহুবার হয়েছে। 
তবু আনন্দের একটা উপসর্গ যদি পাওয়া যায় তা কেউ হাতছাড়া করতে চাননা। তাই পৌষপার্বন এর এই একটা দিন কম হলেও সবাই একস্বরে ভোওওওওও কাট্টা।

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।