Skip to main content

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিশ্ববাংলা শারদ ও জগদ্ধাত্রী সন্মান প্রদান চন্দননগরে - Janobarta Digital

রাজেশ মন্ডল, হুগলী: গত ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর হালহকিকত নজরে আনতে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো বারোয়ারী পালপাড়া সার্বজনীন এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেদিনের মঞ্চ থেকে বিশ্ববাংলা শারদ সন্মানের ধাঁচে বিশ্ববাংলা জগদ্ধাত্রী সন্মান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হুগলীর জেলাশাসক জগদীশ প্রসাদ মীনা ও রাজ্যের মন্ত্রী তথা চন্দননগরের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন কে। শারদ সন্মানের পাশাপাশি মোট দশটি পুজো কমিটিকে 'বিশ্ববাংলা জগদ্ধাত্রী সন্মান' দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

সেই কথা মতো গতকাল সন্ধ্যায় চন্দনননগর রবীন্দ্র ভবনে জেলার ৯টি দুর্গা পুজা কমিটি ও ১০টি জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির হাতে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের চেক সহ স্মারক প্রদান করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনর অজয় কুমার, পুলিশ সুপার (রুরাল) সুকেশ জৈন, মন্ত্রী তথা বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন, চুঁচুড়া পুরসভার পুরপ্রধান গৌরিকান্ত মুখার্জী, চন্দননগর কর্পোরেশনের কমিশনার স্বপন কুন্ডু, বিধায়ক অসিত মজুমদার, অসীম মাঝি, তথ্য-সংস্কৃতি আধিকারিক কল্পেন্দু মুখার্জী সহ বিশিষ্ঠজন ও প্রশাসনিক আধিকারিকবৃন্দ।।

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।