রাজেশ মন্ডল,হুগলী: রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো। আর বাঙালীর উৎসবে সবই যেন "বাই ওয়ান, গেট ওয়ান" আফার। বিশ্বকর্মা'র সাথে ঘুড়ি ওড়ানো ফ্রি। সে যাই হোক, অত অন্দরে গিয়ে লাভ নেই। মোট কথা বিশ্বকর্মায় ঘুড়ির লড়াইয়ে আকাশ পথে কার দর কতটা সে নিয়ে বেশ চিন্তায় আছে আট থেকে আশি সকলেই। আজ সকালে চুঁচুড়াই এক নামজাদা ঘুড়ির দোকানে গিয়ে উঠে এলো এরম দৃশ্য। বাচ্ছা থেকে বুড়ো সকলেই বেশ উৎসাহিত ঘুড়ির লড়াই নিয়ে। আর লড়াই মানে তোহ ঘুড়িও চাই "রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার" এর মতো। এক একজন তোহ রীতিমতো ২০০ টাকায় একটা ঘুড়ি কিনছেন। দোকানদারের দাবী, অত সহজে নষ্ট করা যাবে না এই ঘুড়ি। সে যেমন ঘুড়িই হোক না কেন। এছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য ও পশু পাখিদের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সে দিকে নজর রেখে এবছর নাইলন সুতোর বদলে পান্ডা সুতোর চল ক্রেতাদের মধ্যে বেশি। ঘুড়ির মধ্যে আছে পেটকাটা, চাপরাস, ঈগল, মৌয়ুর সহ এক রঙা ঘুড়িও আছে। সব মিলিয়ে বেশ উপরেই রয়েছে এবছরের ঘুড়ির সূচক। এ প্রসঙ্গে একজন ঘুড়ি ব্যবসায়ী বলেন...
জনবার্তা প্রতিবেদন: চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া স্ট্র্যান্ড ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।

Comments
Post a Comment