Skip to main content

চন্দননগরে Satyajit Ray Film & Television Institute এর ক্যাম্প

রাজেশ মন্ডল, হুগলী: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এর তৃতীয় ক্যাপ উদ্বোধিত হলো আজ চন্দননগর কানাইলাল হাই স্কুলে। এই ক্যাম্পে মূলত ফ্লিম মেকিং স্কিল এবং পর্দায় অভিনয়ের শিক্ষা প্রদান করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। উক্ত অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা বাদশা মৈত্র। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত পরিচালক ও অভিনেতারা। ভারতের ইটানগরে দ্বিতীয় শিবির এর পর এই তৃতীয় শিবির চন্দননগরে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য শুধুমাত্র স্নাতক হলেই মিলবে এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ, প্রথমে এডমিশন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে সুযোগ পাবেন ছাত্রছাত্রীরা। সীমিত সিটের কারণেই এই প্রক্রিয়া বলে জানা গেছে। উদ্যোক্তারা জানান এই চন্দননগরের পর কৃষ্ণনগর ও বর্ধমানেও এই শিবির করার পরিকল্পনা তাদের আছে।।






একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে...



OFFICIAL BLOGPOST OF EKNOJORE HOOGHLY CHUCHURA

Comments

ঝলকে ৫

সচেতনতার বার্তা নিয়ে রাস্তায় সমাজসেবী - Janobarta Digital

জনবার্তা প্রতিবেদন: কোরোনা  যুদ্ধে জয়লাভ করতে হলে কি কি করণীয় তা রাস্তায় লিখে বার্তা দিলেন সমাজসেবী সুব্রত কুন্ডু। সারাবছরই নানা সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেনা তিনি ।লকডাউনের সময় মানুষের পাশে সবসময় তার উজ্জল উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। চাল , ওষুধ নিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন একাধিক মানুষের কাছে। মানুষ যাতে ঘরে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার বার্তা চুঁচুড়া ও চন্দননগরের বিভিণ্ণ এলাকায় তিনি লিখেছেন । তার দাবী যে ভাবে ভারতবর্ষ লড়াই করছে তাতে এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত ।

রাখী বন্ধনে সৌভ্রাতৃত্বর ছবি চুঁচুড়ায়

  একনজরে প্রতিবেদন : আজ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাখী বন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়।পথচলতি মানুষদের হাতে রাখী পরিয়ে সৌভ্রাতৃত্বর বার্তা দেওয়া হয়।আয়োজক শ্রাবণী দাস বলেন এই উত্তাল সময়ে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অসিত মজুমদার উপস্থিত হয়ে বলেন - 

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি। প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায় : ধীমান ব্রহ্মচারী

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি।প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায়: ধীমান ব্রহ্মচারী (ক) 'এই তো, রাত্রি এলো। বলো,এখন তোমার কথা বল।' আমরা যারা কবিতাকে আঁকড়ে নিয়ে সর্বদা বেঁচে থাকি,তারা হয়তো জানি কবিতা কী?কেন?কীভাবে?কখন?-এরকম অনেক প্রশ্নচিহ্ন দিয়ে তৈরি করা যায় কবিতার দেহ।কবিতার শরীর।আর এই কবিতার আলোচনায় যখন আসেন আমাদের কাছের বাংলা ভাষার এক সহজিয়া কবি।নাম শঙ্খ ঘোষ।একটা পুরো জীবন কেটে যাবে শঙ্খ ঘোষকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে।আবার তারচেয়েও বড় কথা এক জীবনের আমার মতো ছোট্ট জীবন দেখা মানুষের বিরাট জীবন দেখাও হয়ে উঠবে না,এই স্বল্প পরিসরের চলার পথে।আসলে মানুষ তার চেতনার মধ্যে সর্বদা খুঁজে বেরান তার অস্তিত্ব।সেই অস্তিত্বের স্বরূপ একজন কবি খুঁজে পান তাঁর চেতনায়,কাব্য সাধনার মধ্য দিয়ে।আমাদের শঙ্খ ঘোষও এর ব্যতিক্রম নন। কবিতা ও কবি' এই শব্দ দুটিই আমাদের সমাজ জীবনের পথে প্রভাব ফেলে।এবং এই প্রভাব যে কি পরিমানে তার ইয়ত্তা নেই।পূর্ণেন্দু পত্রী তাঁর একটি বই(প্রসঙ্গ : শিল্প, সাহিত্য)এ একটি আলোচনায় লিখছেন,'এ কবিতা নিয়ে গভীর তাত্ত্বিক আলোচনার তর্ক-ঝড় বয়ে গেছে এক সময়,শঙ্খ...

নভেম্বর বিপ্লব বার্ষিকীতে চুঁচুড়ায় এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর সভা

একনজরে প্রতিবেদন:মহান নভেম্বর বিপ্লবের ১০৫ তম বার্ষিকীতে এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর চুঁচুড়া লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করা হয়। নভেম্বর বিপ্লবের তাৎপর্য ও শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড গোপাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'মহান নভেম্বর বিপ্লবের শিক্ষা নিয়ে ভারতবর্ষের বুকে সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষের ঐক্যকে সূদৃঢ় করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মার্ক্সবাদ -লেনিনবাদ -কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তার আলোকে জনগণের মধ্যে বিপ্লবী রাজনীতিকে নিয়ে যেতে হবে।'এই সভার সভাপতিত্ব করেন হুগলি জেলা কমিটি সম্পাদক কমরেড সন্তোষ ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সুবোধ সরকারের ৫০ বছরের কবি জীবন উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে ট্যাবলো উদ্বোধন

  একনজরে প্রতিবেদন: আগামী ৮ জুলাই এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে চলেছে শহর চুঁচুড়া। কবি সুবোধ সরকারের কবিতা জীবনের ৫০ বছর উদযাপন করতে চলেছে অমিত রে ক্রিয়েশন। সেই উপলক্ষে আজ সাহিত্যিক স্বপন মজুমদার উদ্বোধন করলেন একটি ভ্রাম্যমান ট্যাবলোর। উপস্থিত ছিলেন কবি সনৎ দে, দেবজাত, সূচন্দ্রিতা ঘোষাল সহ একাধিক কবি। ইতিমধ্যেই এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শহরে কিছু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজক অমিত রে বলেন - সুবোধ সরকারের রাজনৈতিক জীবন ও কবি জীবন সম্পূর্ণ দুটি আলাদা প্রেক্ষাপট আমরা সুবোধ সরকারকে প্রধানত কবি হিসাবেই এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত করতে চাই। তার রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে আমাদের অনুসন্ধান থাকলেও কবি জীবন সম্পর্কে উৎসাহ অনেক বেশি। সুবোধ সরকার বাংলা সাহিত্যে যে সৃষ্টির জন্ম দিয়েছেন এবং আগামী দিনে দেবেন তা বাংলা সাহিত্যকে ইতিমধ্যেই সমৃদ্ধ করেছে এবং আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেই আশা করি। দল-মত নির্বিশেষে সকল স্তরের সাহিত্যপ্রেমী মানুষকে ঐদিন বিকালে রবীন্দ্রভবনে উপস্থিত হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।