Skip to main content

জলে ডুবে মৃত্যু ১৪ বছরের বালকের

 


বন্দনা ভট্টাচার্য্য, হুগলী :- সকালে ফুটবল খেলতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত‍্যু হল এক নাবালকের। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলীর কোন্নগরে অ‍্যালকালি মাঠ সংলগ্ন পুকুরে। মৃত নাবালকের নাম অনিকেত সরকার। বয়স ১৪ বছর। বাড়ি কোন্নগর মাষ্টারপাড়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধ্রুবতারা ক্লাবের সামনে। অনিকেত কোন্নগর নবগ্রাম বিদ‍্যাপীঠের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। কোন্নগর স্টেশনের পাশে একটা পানের দোকান চালায় অনেকেতের বাবা অলোক সরকার। আর মা অনিমা সরকার রান্নার কাজ করে। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান অনিকেত। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মত সোমবার সকালে অ‍্যালকালি কোয়ার্টারের মাঠে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলতে যাবে বলে ভোরবেলা ৪.৩০ নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়। ৮ টা নাগাদ এক বন্ধুর মা এসে অনিকেতের বাড়িতে খবর দেয় অনিকেত জলে ডুবে গেছে। তৎক্ষনাৎ বাবা, মা সহ প্রতিবেশীরা এবং স্থানীয় ধ্রুবতারা ক্লাবের সদস‍্যরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। উপস্থিত হয় ১৭নং ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি অভিরুপ চক্রবর্তী ( সোনাই)। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় অ‍্যালকালি কোয়ার্টার এলাকার স্থানীয় ছেলেরা পুকুরে নেমে অনিকেতকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। খবর পেয়ে কোন্নগর টাউন আউট পোষ্টের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। অনিকেতের বন্ধুরা জানিয়েছে খেলার সময় বল জলে পরে যায়। সেই বল তুলতে গিয়ে অনিকেত ও শুভজিৎ নামে দুজন পুকুরে নামে। শুভজিৎ সাঁতার জানলেও অনিকেত সাঁতার জানতো না। এরপর দুজনেই পা পিছলে জলে পরে যায়। পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বন্ধুরা শুভজিৎকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অনিকেত গভীর জলে তলিয়ে যায় এবং চোখের নিমেষে ডুবে যায়। বন্ধুদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসে। এবং তারা অনিকেতকে উদ্ধার করতে জলে নামে। তাদের থেকে জানা যায় পুকুরটা ৪০ফুট গভীর সকাল ১১টা পর্যন্ত স্থানীয় ছেলেরা চেষ্টা করলেও অনিকেতকে উদ্ধার করা যায়নি। এরপরই স্থানীয় এবং অনিকেতের পাড়ার সকলের ক্ষোভের মুখে পরে পুলিশ। প্রথম থেকেই অনিকেতের উদ্ধারে পুলিশ কোনো রকম সহযোগিতা করেনি বলেই সকলের অভিযোগ। পুকুর পাড়ে জড়ো হওয়া মানুষ জনের সময় সাথে ধ্রুবতারা ক্লাবের এক সদস‍্য বলাই লোধ পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, পুলিশ এসে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে আছে। একাধিক বার পুলিশকে ডুবুরি আনতে বলা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও কোনো ডুবুরি আনা হয়নি। যত সময় এগিয়েছে অনিকেতের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়েছে। পুলিশ গাছ তলায় দাঁড়িয়ে মোবাইল দেখছিল। এই ঘটনা যদি কোনো নেতা বা মন্ত্রীর বাড়িতে হত তাহলে পুলিশ এতটা নিস্ক্রিয় থাকতে পারতো না। তৎপরতার সাথে কাজ করতো। গরীব, সাধারণ মানুষের দিকে পুলিশ প্রশাসনের কোনো নজর নেই বলেও জানিয়েছেন বলাই লোধ। ঘটনাস্থলে কোন্নগর টিওপির অফিসার দিনেশ কুমার সিং ঘটনাস্থলে এলে অনিকেতের পরিজন ও স্থানীয়রা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তিনি অবশ‍্য সকলকে আস্বস্ত করেন। এরপর বড় জাল ফেলা হয়। অবশেষে বেলা ১১.৩০ মিনিটে জালে করে উদ্ধার করা হয় অনিকেতকে। তাকে উদ্ধার করে দেওয়ালডির বেসরকারি হাসপাতাল মা সারদায় নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব‍্যরত চিকিৎসক অনিকেতকে মৃত ঘোষনা করেন। এরপর পুলিশ অনিকেতের দেহ ময়নাতদন্তের জন‍্য শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে পাঠায়। অভিরুপের তৎপরতায় এদিনই ময়না তদন্তের পর অনিকেতের দেহ তার পারিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনিকেতের দেহ বাড়িতে আনার পর বাবা, মা ও আত্মীয় প্রতিবেশিরা কান্নায় ভেঙ্গে পরে। গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

Comments

ঝলকে ৫

সচেতনতার বার্তা নিয়ে রাস্তায় সমাজসেবী - Janobarta Digital

জনবার্তা প্রতিবেদন: কোরোনা  যুদ্ধে জয়লাভ করতে হলে কি কি করণীয় তা রাস্তায় লিখে বার্তা দিলেন সমাজসেবী সুব্রত কুন্ডু। সারাবছরই নানা সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেনা তিনি ।লকডাউনের সময় মানুষের পাশে সবসময় তার উজ্জল উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। চাল , ওষুধ নিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন একাধিক মানুষের কাছে। মানুষ যাতে ঘরে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার বার্তা চুঁচুড়া ও চন্দননগরের বিভিণ্ণ এলাকায় তিনি লিখেছেন । তার দাবী যে ভাবে ভারতবর্ষ লড়াই করছে তাতে এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত ।

রাখী বন্ধনে সৌভ্রাতৃত্বর ছবি চুঁচুড়ায়

  একনজরে প্রতিবেদন : আজ ২৪ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাখী বন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়।পথচলতি মানুষদের হাতে রাখী পরিয়ে সৌভ্রাতৃত্বর বার্তা দেওয়া হয়।আয়োজক শ্রাবণী দাস বলেন এই উত্তাল সময়ে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অসিত মজুমদার উপস্থিত হয়ে বলেন - 

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি। প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায় : ধীমান ব্রহ্মচারী

আমরা প্রতিদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরি।প্রেমিকার স্পর্শে হই মুহ্যমান-কবি শঙ্খ ঘোষের আলোচনায়: ধীমান ব্রহ্মচারী (ক) 'এই তো, রাত্রি এলো। বলো,এখন তোমার কথা বল।' আমরা যারা কবিতাকে আঁকড়ে নিয়ে সর্বদা বেঁচে থাকি,তারা হয়তো জানি কবিতা কী?কেন?কীভাবে?কখন?-এরকম অনেক প্রশ্নচিহ্ন দিয়ে তৈরি করা যায় কবিতার দেহ।কবিতার শরীর।আর এই কবিতার আলোচনায় যখন আসেন আমাদের কাছের বাংলা ভাষার এক সহজিয়া কবি।নাম শঙ্খ ঘোষ।একটা পুরো জীবন কেটে যাবে শঙ্খ ঘোষকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে।আবার তারচেয়েও বড় কথা এক জীবনের আমার মতো ছোট্ট জীবন দেখা মানুষের বিরাট জীবন দেখাও হয়ে উঠবে না,এই স্বল্প পরিসরের চলার পথে।আসলে মানুষ তার চেতনার মধ্যে সর্বদা খুঁজে বেরান তার অস্তিত্ব।সেই অস্তিত্বের স্বরূপ একজন কবি খুঁজে পান তাঁর চেতনায়,কাব্য সাধনার মধ্য দিয়ে।আমাদের শঙ্খ ঘোষও এর ব্যতিক্রম নন। কবিতা ও কবি' এই শব্দ দুটিই আমাদের সমাজ জীবনের পথে প্রভাব ফেলে।এবং এই প্রভাব যে কি পরিমানে তার ইয়ত্তা নেই।পূর্ণেন্দু পত্রী তাঁর একটি বই(প্রসঙ্গ : শিল্প, সাহিত্য)এ একটি আলোচনায় লিখছেন,'এ কবিতা নিয়ে গভীর তাত্ত্বিক আলোচনার তর্ক-ঝড় বয়ে গেছে এক সময়,শঙ্খ...

নভেম্বর বিপ্লব বার্ষিকীতে চুঁচুড়ায় এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর সভা

একনজরে প্রতিবেদন:মহান নভেম্বর বিপ্লবের ১০৫ তম বার্ষিকীতে এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)এর চুঁচুড়া লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করা হয়। নভেম্বর বিপ্লবের তাৎপর্য ও শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড গোপাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'মহান নভেম্বর বিপ্লবের শিক্ষা নিয়ে ভারতবর্ষের বুকে সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষের ঐক্যকে সূদৃঢ় করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মার্ক্সবাদ -লেনিনবাদ -কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তার আলোকে জনগণের মধ্যে বিপ্লবী রাজনীতিকে নিয়ে যেতে হবে।'এই সভার সভাপতিত্ব করেন হুগলি জেলা কমিটি সম্পাদক কমরেড সন্তোষ ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রথম দিনেই চরম উন্মাদনা হুগলি চুঁচুড়া বইমেলায়

  একনজরে প্রতিবেদন:শুরুর দিনেই হুগলী চুঁচুড়া বই মেলায় নজরকাড়া ভিড়। ৭৪ টি স্টল নিয়ে এবারের বইমেলা সজ্জিত। অন্যান্য বার যেখানে প্রথম দিন প্রকাশক ও বই বিক্রেতা স্টলে পেরেক মারতে ব্যস্ত থাকেন এবারে প্রথম দিন তারাই গুনে নিচ্ছেন টাকা। যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকরির কথায় এ দৃশ্য আগে চুঁচুড়া বইমেলা কখনো দেখেনি। ঘন্টা বাজিয়ে ১৪ তম হুগলী চুঁচুড়া বইমেলার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি সত্যম রায়চৌধুরী। এক প্রকাশক বলেন প্রথম দিনই বই বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় হাজার টাকার। প্রথম দিন থেকেই একাধিক অনুষ্ঠান ছিল অন্যতম আকর্ষণ।নাচ, আবৃত্তি ও গানের মধ্যে দিয়ে সমগ্র বইমেলার সন্ধ্যা ছিল জমজমাট।