জনবার্তা : আজ সকাল ৮টা নাগাদ অন্যান্য দিনের মতো আজও ফুটবলের কোচিং সেরে চুঁচুড়া মাঠ সংলগ্ন ধাপিতে বসে একটু জিরিয়ে নিচ্ছিলেন মানিক দে। এমন সময় বছর ২০ র এক ব্যাক্তি ওনার পাশে এসে শুয়ে পড়লেন, হাতে সেলাইয়নের বোতল এবং ক্যাথিড্রাল। দেখে অবাক লাগে মানিক বাবুর, কৌতূহলের বশে জিজ্ঞাস করেন কি হয়েছে তোমার ? উত্তর আসে, আমি কয়েকদিন আগে বিষ পান করেছিলাম, তার চিকিৎসার জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি হই। কিন্তু হাসপাতালে আমায় ওরা মেরে ফেলছে, তাই আমি পালিয়ে এসেছি। আপনি পুলিশে খবর দিন, আমি ওদের সাথে চলে যাবো। পরিচয় জিজ্ঞাস করাতে বলেন, আমার নাম দেবু হালদার, বাড়ি সোমরাবাজার। অবস্থার বেগতিক দেখে মানিক বাবু খবর দেন পুলিশে এবং চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে। কিছুক্ষনের মধ্যেই পুলিশ এসে দেবু হালদার নামের ওই পালিয়ে আসা রুগীকে উদ্ধার করে। প্রতক্ষ্যদর্শী হিসাবে মানিক দে'র ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে।। দেখুন ভিডিও ।।
জনবার্তা প্রতিবেদন: চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া স্ট্র্যান্ড ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।










Comments
Post a Comment