Skip to main content

চুঁচুড়া বুনোকালী মাতার মন্দির প্রতিষ্ঠান দিবস পালিত হলো


রাজেশ মন্ডল ও সুদর্শন চ্যাটার্জী, হুগলী :চুঁচুড়া তথা হুগলি জেলার অন্যতম ঐতিহ্যমন্ডিত পীঠস্থান শ্রী শ্রী বুনোকালী মাতার মন্দির । জাগ্রত শক্তিপীঠ রূপে মায়ের এই মন্দির জেলার বহু ভক্তের কাছে সমাদৃত ও প্রসিদ্ধ । বর্তমান চুঁচুড়া এম.জি.রোড অঞ্চলে স্থিত এই মন্দির পুরাতন ও বহু ইতিহাস মন্ডিত । পূর্বে উক্ত স্থানে স্থিত ভয়াভহ জঙ্গলের গর্ভ হতে মায়ের আবির্ভাব হওয়ায় তাঁর নাম মা বুনোকালী। বংশ পরম্পরায় পূজার ধারা বহন করে চলেছেন পুরোহিত এবং মন্দির পরিচালন সমিতি ।  অতীতের সাক্ষ্য বহনকারী এই মন্দিরের নবকলেবর প্রঠিষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের আজকের দিনে বহু শুভানুধ্যায়ী ভক্ত তথা নাগরিকের শুভকামনা ও সহযোগীতায় এবং সাথে সাথে স্থাপিত হয় বাবা শান্তিনাথের মন্দির এছাড়াও নবরূপে সেজে ওঠে মা মনসার মন্দির তথা মন্দির প্রাঙ্গণ । সেই থেকে আজকের দিনটি উদযাপিত হয় বাবার প্রঠিষ্ঠা দিবস রূপে এবং সঙ্গে চলে নানাবিধ আচার , অনুষ্ঠান । বিগত বছরগুলির ন্যায় এবছরও ভক্তদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রণে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ । এছাড়াও সঙ্গে ভক্তদের জন্য ছিল ভোগের ব্যবস্থা । মন্দির পরিচালন সমিতির বিশ্বাস আগামী দিনেও ভক্তদের এই প্রণোদিত অংশগ্রহণে আরো প্রসারিত হবে এই জাগ্রত পীঠের মাহাত্ম্য আরো বেশি মানুষের অন্তরে । এই প্রসঙ্গে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি দেবীপ্রসাদ সিংহ বলেন...দেখুন ভিডিও...



ADVERTISEMENT





একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে...




OFFICIAL BLOGPOST OF EKNOJORE HOOGHLY CHUCHURA

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।