Skip to main content

স্মরণীয় বর্ণময় বিদায় - কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

একনজরে বাংলা সফর 

দেবাশীষ দাস, কলকাতা : সঞ্চিতা,দেবাশিস,মধুরিমা,অনিরদ্ধ,অভিক,স্বপন সহ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাচীন ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের M.A. প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা, দ্বিতীয় বর্ষের একই বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণময় বিদায় জানালো গত 22 এ মে, মঙ্গলবার। প্রথম বর্ষের ছাত্র ছাত্রী রা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রী দের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানায় এই বিদায়ী অনুষ্ঠানে।কনফারেন্স রুমটি সুন্দর করে সাজায় তারা। রুমটিকে তারা রঙ্গিন করে তোলে। সমগ্র প্রথম বর্ষের ছাত্র ছাত্রীরা এই কাজে বিশেষ ভাবে অংশগ্রহন করে। আন্তরিকতা দেখে আবেগ বিহল হয়ে পরে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রীরা।প্রথম বর্ষের ছাত্র ছাত্রী তাদের হাতে কিছু উপহার তুলে দেয়।ঐ বিভাগের অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা রাও এই কাজে সমর্থন করেন। অনুষ্ঠানটির নাম রাখা হয় "প্রাপ্তি"।অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বিভাগীয় অধ্যাপক শ্রী তপন কুমার দাস - 'প্রথম বর্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, এবং দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যতে এগিয়ে যাবার প্রেরণা দেন।'কবিতা,সংগীত,নৃত্য, শ্রুতিনাটক,ও ম্যাজিক শো এর মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। দ্বিতীয় বর্ষের বিশ্বজিৎ, মৃন্ময়, সৌরভ,অঙ্কিতা, শিল্পারাও এই অনুষ্ঠান আনন্দের সাথে উপভোগ করে। দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৌরভ গিরি - তার ছাত্র জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং এ বিষয়ে বলেন - তার কাছে এই দিনটি চির স্মরণীয়,ও শেষ বেলায় এটাই বোধহয় সবচাইতে বড় 'প্রাপ্তি'। এই অনুষ্ঠানের এক ঝলক দেখুন ভিডিওতে ....



ADVERTISEMENT

For Advertisement : 7003752522 (Call Only)





একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে...




OFFICIAL BLOGPOST OF EKNOJORE HOOGHLY CHUCHURA

Comments

ঝলকে ৫

১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে চন্দননগর নাগরিক সমাজ

একনজরে প্রতিবেদন : বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা চলাকালীন ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসলো চন্দননগর নাগরিক সমাজ ও চন্দননগর IMA শাখা। আজ সকাল নটা থেকে রাত নটা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক মানুষ চন্দননগর IMA ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান,সাথে ছিলো অনশন। তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে স্ট্রান্ড চত্বর । এ প্রসঙ্গে সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু দত্ত বলেন - পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। অমরা এই দিন দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বিচার এখনও আমরা পাই নি।আন্দোলন চলবে,অমরা শেষ দেখে ছাড়বো। সংগঠনের পক্ষে ডাক্তার আলোক রায়চৌধুরী বলেন -