Skip to main content

হেঁটেই বার্তা বই কিনুন বই পড়ুন

 


একনজরে প্রতিবেদন: বই ও সুস্থ সংস্কৃতির জন্য ১৭তম হুগলি-চুঁচুড়া বইমেলা কমিটির উদ্যোগে এক রঙিন পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হলো ৭ ডিসেম্বর চুঁচুড়ার পিপুলপাতি থেকে চুঁচুড়া ময়দান পর্যন্ত। শহরের ১০০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি, শিল্পীরা এই পদযাত্রায় অংশ নেন। ক্লাব ব্যাণ্ড, একাধিক ট্যাবলো, রং-বেরঙের পতাকায় সুসজ্জিত এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকী, সমকাল ও বিবৃতির সম্পাদক অরিত্র শীল, অভিক্রম পত্রিকার সম্পাদক অমিত, সংগীতশিল্পী রাজীব চক্রবর্তী, আবৃত্তিশিল্পী সবুজ পালের মতো বিশিষ্টরাও। প্রসঙ্গত ১৩ থেকে ২১ ডিসেম্বর চুঁচুড়া ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে এই বইমেলা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে শহর চুঁচুড়া একটি সপ্তাহ আনন্দে মেতে ওঠে।

মেলার সম্পাদক গোপাল চাকী বলেন -আজকাল বই পড়েনা বলে একটি কথা চালু আছে,কিন্তু আমাদের মেলায় ৫২ লক্ষ টাকার বই বিক্রি এটাই প্রমাণ করে যে মানুষ বই পড়ে এবং এখনও বই এর টানে মেলায় আসে। গোপাল চাকী আরও জানান, এ বছর হুগলি চুঁচুড়া বইমেলায় আরো বেশি বইপ্রেমী মানুষের অংশগ্রহণ করবেন বলেই তার বিশ্বাস।সমকাল ও বিবৃতি পত্রিকার সম্পাদক অরিত্র শীল বলেন, এবছর হুগলি চুঁচুড়া বইমেলার সভাঘরে মোট ৮টি সেমিনার সংঘটিত হবে। অভিক্রম পত্রিকার সম্পাদক ও কবি অমিত বলেন, হুগলি চুঁচুড়া বইমেলা শহরবাসীর অহংকার। আমরা শহরবাসী প্রত্যেকেই এই বইমেলাকে সফল করতে দায়বদ্ধ। বিশিষ্ট চিকিৎসক ও ইতিহাসবিদ অক্ষয় কুমার আঢ্য বেলুন উড়িয়ে পদযাত্রার সমাপ্তি ও বইমেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।





Comments

ঝলকে ৫

ফুলপুকুর যুব সংঘের ২১ তম রক্তদান শিবির

  একনজরে প্রতিবেদন :২১ তম রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো ফুলপুকুর যুবসংঘের উদ্যোগে।ফুলপুকুর দূর্গা মণ্ডপে ৭০ জন রক্তদান করলেন, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলো  চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ,প্ৰাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজ সেবী মইনুল হক,পৌরপিতা ১৭ নাম্বার ওয়ার্ড রত্না অধিকারী সহ একাধিক নেতৃত্ব। ফুলপুকুর যুব সংঘের সম্পাদক অনুপম ঘোষ জানান - রক্তদান একটি মহৎ দান যেহেতু রক্ত আলাদা করে তৈরি করা যায় না তাই দানের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সবথেকে সহজ উপায় এটি। তিনি আরও জানান প্রতিবছর এই রক্তদান শিবির কে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে উন্মাদনা দেখা যায় তা অনস্বীকার্য। 

নতুন করে যাত্রা শুরু চুঁচুড়ার অজন্তা শোরুমের

  একনজরে প্রতিবেদন: শহর চুঁচুড়ায় নতুন করে পথ চলা শুরু হলো অজন্তা শোরুমের। জুতোর জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম অজন্তা। ছোট থেকে বড় সবার সব ধরণের জুতোর অবিশ্বাস্য সম্ভার অজন্তা শোরুমে। শোরুম উদ্বোধন করে হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান পার্থ সাহা বলেন ছোট থেকে অজন্তার জুতো পরে আসছি,আলাদা একটা আরাম আছে, তাই বরাবরের পছন্দ অজন্তা। উদ্বোধন উপলক্ষে শোরুমে আজ ছিল বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা, ছাড়কে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

আর জি কর কান্ডে প্রতিবাদে নামলো চুঁচুড়া কোর্টের আইনজীবীরা

  একনজরে প্রতিবেদন: আজ হুগলী জেলা জজ আদালত এর তরফ থেকে  আর জি কর হাসপাতালের এর  লজ্জাজনক ঘটনার বিরুদ্ধে  মিছিল এর আয়োজন করা হয় চুঁচুড়া কোর্ট থেকে ঘড়ির মোড় পর্যন্ত। চুঁচুড়া কোর্টের প্রায় তিন শতাধিক আইনজীবি   প্রতিবাদ জানান ঘড়ির মোড়ে।we want justice কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে ঘড়ির মোড় চত্বর। আইনজীবী নূতন রায় এবং সৌমি আগরওয়াল দাবি জানান  - মেয়েরা যদি নিজেই নিজের কর্ম স্থলে সুরক্ষিত না হয় তাহলে আর কোথায় থাকবে? জোর গলায় তারা বলেন আমরা আমাদের সুরক্ষা চাই। সেই সাথে যুক্ত করেন আমরা চাই এই case এর speedy trial যাতে এই মামলার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিষ্পত্তি হয় এবং  দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হয়।

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।