Skip to main content

উন্মাদনা উপচে পড়লো তৃতীয় বর্ষের কবিতা উৎসবে

 


একনজরে প্রতিবেদন: হুগলী চুঁচুড়া বইমেলা এবং সমকাল ও বিবৃতি পত্রিকার আয়োজনে তৃতীয় বর্ষের কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে এক মিলনের পরিবেশ সৃষ্টি হলো ১৪ সেপ্টেম্বর। এবারে কবিতা উৎসব পালিত হয় ব্যান্ডেল এয়ার ও লাইট মঞ্চে।একসাথে দুটি মঞ্চে মোট ১৭০ জন কবি কবিতা পাঠ করেন। সেই সাথে ছিলো কবিতা বিষয়ক আলোচনা। অধ্যাপক ও কবি সুমন গুণ এ আই ও বর্তমান কবিতা এই বিষয়ে এক মনোজ্ঞ আলোচনা করেন।নতুন প্রজন্মের কবিদের কথা ছিলো অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। এই বিভাগে তরুণ কবি অদিতি রায় ও সৌমাভ দত্ত র আলোচনা উপস্থিতি শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বইমেলার সম্পাদক গোপাল চাকী বলেন কবিতা নিয়ে এই যে সারাদিন যাপন তা একমাত্র এই শহর দেখাতে পারে।এবং এই উন্মাদনা অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের বহন করে যেতে হবে তা নিশ্চিত।




Comments

ঝলকে ৫

রাজীব প্রয়াণে শ্রদ্ধায় পথে কংগ্রেস

  একনজরে প্রতিবেদন : প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ৩৬ তম প্রয়াণ দিবসকে সামনে রেখে পথে নামলো কংগ্রেস। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে এদিন দলের পক্ষ থেকে শহর চুঁচুড়ার প্রাণকেন্দ্র ঘড়ির মোড়ে একটি বিশেষ পথসভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্য কমিটির সদস্য ও চুঁচুড়া বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী মইনুল হক,স্বপন দে,শিক্ষক নেতা স্বরূপ সেনগুপ্ত,প্রাক্তন কাউন্সিলার রূপক চ্যাটার্জী,তুষার চক্রবর্তী, মনিরুল মোল্লা,অনুপম ঘোষ সহ একাধিক নেতৃত্ব।  ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে সরব হন বক্তারা। রাজনৈতিক হিংসা বিরুদ্ধে  সকলে মত প্রকাশ করেন। নবগঠিত সরকারের বুলডোজার নীতির কড়া সমালোচনা করা হয় এই সভা থেকে। মইনুল হক বলেন সরকারের কুরবানী নিতির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। তিনি সভা থেকে এই নীতির সঠিক প্রয়োগের দাবি জানান। মূল্য বৃদ্ধি সহ জীবনযাত্রা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন তরুণ কংগ্রেস নেতা অনুপম ঘোষ। তার বক্তব্যের মধ্যে আগামী দিনে মানুষ যে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়তে চলেছেন তার একটি রূপরেখা খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাক্তন কাউন্সিলর রূপক চ্যাটার্জি বলেন...

পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করলো কংগ্রেস

  একনজরে প্রতিবেদন: চুঁচুড়ার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করল জাতীয় কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল তারা। আজ সন্ধ্যায় কংগ্রেসকর্মীরা পুনরায় সেই পার্টি অফিসের দখল নেয়। পার্টি অফিস দখল নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নামিয়ে তোলা হয় কংগ্রেসের পতাকা। এ প্রসঙ্গে যুব কংগ্রেসের নেতা অনুপম ঘোষ বলেন রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল যেভাবে পার্টি অফিস দখল করে নৈরাজ্যের পরিস্থিতি তৈরি করেছিল তা বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আজ তৃণমূলের পতনের অন্যতম কারণ এটাই। তিনি আরও বলেন কংগ্রেসের আগামীর কার্য সম্পাদন করতে এই অফিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।