Skip to main content

এক লহমায় দেখলে মনে হবে মৃত্যুপুরী, বেদনাদায়ক চিত্র জেলা সদরের


নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল রাতের প্রবল ঝড়ের প্রভাব সারা শহর জুড়ে। শহরের অধিকাংশ বড় গাছ উপড়ে পড়ে রাস্তা বন্ধ। শতাব্দী প্রাচীন মহসীন কলেজের সব গাছ ধরাশায়ী। মিয়ারবের, গোরস্থান, কামারপাড়া, সাঁকোমোড় , পিপুলপাতি , বকুলতলা সহ অনেক রাস্তাই বন্ধ গাছ ও বিদ্যুৎ এর খুঁটি ভেঙে যাবার ফলে। বহু বাড়ির অস্থায়ী ছাদ ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুৎ এর খুঁটি পড়ে বিপর্যয় সবথেকে বেশি।রাত থেকে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ পরিষেবা ও পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ।বিদ্যুৎ দপ্তর ও পুরসভা তৎপরতার সাথে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। পৌর কাউন্সিলর পার্থ সাহা জানান পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি, মানুষের পাশে আমরা সব সময় আছি, দেখছি কত তাড়াতাড়ি সব সামলানো যায়।

রইলো খন্ডচিত্র: 







































Comments

ঝলকে ৫

১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে চন্দননগর নাগরিক সমাজ

একনজরে প্রতিবেদন : বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা চলাকালীন ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসলো চন্দননগর নাগরিক সমাজ ও চন্দননগর IMA শাখা। আজ সকাল নটা থেকে রাত নটা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক মানুষ চন্দননগর IMA ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান,সাথে ছিলো অনশন। তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে স্ট্রান্ড চত্বর । এ প্রসঙ্গে সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু দত্ত বলেন - পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। অমরা এই দিন দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বিচার এখনও আমরা পাই নি।আন্দোলন চলবে,অমরা শেষ দেখে ছাড়বো। সংগঠনের পক্ষে ডাক্তার আলোক রায়চৌধুরী বলেন -