Skip to main content

পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে মানবিক মুখ সন্দীপ রুদ্র


জনবার্তা প্রতিবেদন: ওদের বাড়ি চন্দ্রকোনায়। চুঁচুড়ায় সেলসের কাজ করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে। লকডাউন চলায় বন্ধ কাজ। বাড়ি ফিরে যাবার উপায় ও নেই।১০ জন শ্রমিকের কথা জানতে পেরেই হাজির সন্দীপ রুদ্র। মে দিবসের সকালে তাদের হাতে তুলে দিলেন চাল, ডাল, মুড়ি বিস্কুট, তেল সহ একাধিক খাদ্য দ্রব্য। এরকম সাহায্য পেয়ে খুশি শ্রমিকরা। ক্যামেরার সামনে বিশেষ কিছু বলতে না চাইলেও তারা জানান খুব কষ্টের মধ্যে কাটছিল তাদের, সাহায্য পেয়  খুব খুশি। সন্দীপ বাবু জানান তাদের অবস্থার কথা জানতে পেরে এক নাট্যকর্মী সায়ন্তন ঘোষ এগিয়ে আসেন, আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি উদ্যোগ নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবার ব্যাবস্থার করি, তিনি জানান আগামী দিনেও আমি মানুষের পাশে থাকবো, যে কোনো সমস্যায় আমার যতটা সম্ভব আমি করবো।

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।