Skip to main content

কোনো প্রসাদ বিতরণ না, নিলামের মধ্যে দিয়ে পূজিত হন পাণ্ডুয়ার ৬০০ বছরের 'হেঁপাকালী'! -Janobarta Digital


চিন্ময় কর্মকার, হুগলী: হুগলীর পাণ্ডুয়া থানার সংলগ্ন গ্রাম 'বেলুন'। এই বেলুন গ্রামের অন্যতম প্রধান কালী পুজো 'বেলুন হেঁপাকালী মাতার' পুজো। গ্রামবাসীদের কথায় আনুমানিক প্রায় ৬০০ বছরের প্রচীন এই পুজো। এই ৬০০ বছরের ঐতিহ্যকে বহন করে আসছে এই পুজোর বিশেষত্ব। আর পাঁচটা পুজোর মতো নয় এই হেঁপাকালী মাতার পুজো। 

পুজোর দিন স্বাভাবিক ভাবেই ভক্তের আগমনের মধ্যে দিয়ে কাটলেও পুজোর পরের দিন কাটে নিলামের মধ্যে দিয়ে। ভক্তদের দান করা সমস্ত দ্রব্য সামগ্রী নিলামের মাধ্যমে বিকিয়ে দেওয়া ভক্তদের মধ্যে। চির কালই এই রীতি মেনে হয়ে আসছে এই হেঁপাকালী মাতার পুজো।।

Comments

Post a Comment

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।