Skip to main content

সাড়ম্বরে পলিত হলো ভাইফোঁটা, ছিলেন পুরপ্রধান গৌরিকান্ত মুখার্জী'ও

চুঁচুড়া: বাঙালীর এক পার্ব্বণ মিটতে না মিটতেই শুরু হয়ে গেল আরেক পার্ব্বণ "ভাইফোঁটা"। যদিও এটা দুর্গা বা কালী পুজোর মতো দীর্ঘস্থায়ী নয় একদিনের এক রীতি তাও বাঙালীরা চুটিয়ে উপভোগ করেন আজকের এই দিনটা। ভাইফোঁটা মূলত ভাই ও বোনের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ বিনিময়ের এক রীতি। এদিন বোন ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে তাঁর শ্রীবৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করে। 
আজ এমনই এক ছবি চুঁচুড়ার তোলাফটক "ছবির মহলে"। বিগত বছর গুলির মতো এবছরও সকল ভাইবোন এক হয়ে ভাইফোঁটা অনুষ্ঠিত হলো আজ। এতো না হয় কমন ব্যাপার তবে এখানের বিশেষত হলো বিগত ১২ বছর ধরে এখানে সঙ্গীতশিল্পী রাখী মন্ডলের থেকে ভাইফোঁটা নিয়ে আসছেন হুগলী চুঁচুড়া পুরসভার পুরপ্রধান গৌরিকান্ত মুখার্জী। পাশাপাশি দুপুরে ভুঁড়িভোজেরও আয়োজন করা হয়। সব মিলিয়ে বেশ জমজমাটি একটা দিন উপভোগ করছেন সকলেই।।

Comments

ঝলকে ৫

হেঁটেই বার্তা বই কিনুন বই পড়ুন

  একনজরে প্রতিবেদন: বই ও সুস্থ সংস্কৃতির জন্য ১৭তম হুগলি-চুঁচুড়া বইমেলা কমিটির উদ্যোগে এক রঙিন পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হলো ৭ ডিসেম্বর চুঁচুড়ার পিপুলপাতি থেকে চুঁচুড়া ময়দান পর্যন্ত। শহরের ১০০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি, শিল্পীরা এই পদযাত্রায় অংশ নেন। ক্লাব ব্যাণ্ড, একাধিক ট্যাবলো, রং-বেরঙের পতাকায় সুসজ্জিত এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চাকী, সমকাল ও বিবৃতির সম্পাদক অরিত্র শীল, অভিক্রম পত্রিকার সম্পাদক অমিত, সংগীতশিল্পী রাজীব চক্রবর্তী, আবৃত্তিশিল্পী সবুজ পালের মতো বিশিষ্টরাও। প্রসঙ্গত ১৩ থেকে ২১ ডিসেম্বর চুঁচুড়া ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে এই বইমেলা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে শহর চুঁচুড়া একটি সপ্তাহ আনন্দে মেতে ওঠে। মেলার সম্পাদক গোপাল চাকী বলেন -আজকাল বই পড়েনা বলে একটি কথা চালু আছে,কিন্তু আমাদের মেলায় ৫২ লক্ষ টাকার বই বিক্রি এটাই প্রমাণ করে যে মানুষ বই পড়ে এবং এখনও বই এর টানে মেলায় আসে। গোপাল চাকী আরও জানান, এ বছর হুগলি চুঁচুড়া বইমেলায় আরো বেশি বইপ্রেমী মানুষের অংশগ্রহণ করবেন বলেই তার বিশ্বাস।সমকাল ও বিবৃতি পত্রিকার সম্পাদক অরিত্র শীল বলেন, এবছর হুগলি চুঁচুড়া বইমে...