Skip to main content

এই গরমে দাম বেশি হলেও মানুষের কাছে বেশ জায়গা করেছে "তালশাঁস"


এই গরমে দাম বেশি হলেও বেশ জায়গা করেছে "তালশাঁস"

রাজেশ মন্ডল, হুগলী : এই চরম গরমের দিনে গ্রাম বাংলা সহ শহরের সব মানুষেরই মন চায় একটু গলা ভেজাতে বা শারীরিক তৃপ্তির জন্য কিছু ঠান্ডা জাতীয় খাবার বা পানীয় খেতে। সেটা হতে পারে আইসক্রিম,হতে পারে ডাবের জল বা আবার হতে পারে ফলের শরবতের বা এক গ্লাস লেবুর জল, এইসবের পাশাপাশি গ্রাম বাংলার সহ শহর বাজারেও বেশ জায়গা করে নিয়েছে "তালশাঁস"। বর্তমানে গ্রামাঞ্চলের পরিসীমা ছাড়িয়ে এখন শহরের প্রায় সব আলিগলিতেই নজর করলে দেখা যায় জায়গা করেছে তালশাঁস বিক্রেতারা। হারিট, সুগন্ধা, পোলবা, রাজহাট মহানাদ এর মতো গ্রাম থেকে নিয়ে আসে এই তালশাঁস, একটু ফোঁটা লাভের আশায় এই তপ্ত রোদে রাস্তার এক ধারে বসে বিক্রি করেন তালশাঁস ব্যবসায়ীরা। চুঁচুড়া'র এক তালশাঁস ব্যবসায়ীর থেকে জানা যায় আগের বছর গুলোর তুলনায় এই বছর একটু হলেও বাজারদর কমেছে তালশাঁসের , তাদের মতে এর জন্য একটু হলেও দায়ী বর্তমানে নিত্য নতুন গজিয়ে ওঠা ছোটো খাটো ঠান্ডা জাতীয় পানীয় তৈরির কোম্পানি গুলো। সেই কারণে দামও বেড়েছে অন্যবারের তুলনায়, অন্যবার যে জায়গায় দশ টাকায় পাঁচটা পাওয়া যাচ্ছিল সেই জায়াগায় এ বছর দশটাকায় তিনটে অথবা চারটে, তালশাঁসের সাইজের উপরও ভিত্তি করছে দাম। এই প্রসঙ্গে এক তালশাঁস ব্যবসায়ী ও এক ক্রেতা বলেন....দেখুন ভিডিও....




ADVERTISEMENT





একনজরে হুগলী চুঁচুড়া নিবেদন করছে...




OFFICIAL BLOGPOST OF EKNOJORE HOOGHLY CHUCHURA

Comments

ঝলকে ৫

শুনশান প্রেমের পীঠস্থান, লকডাউনে কেমন আছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড !

জনবার্তা প্রতিবেদন:  চন্দননগরের প্রাণকেন্দ্র গঙ্গার  ধার , একাধিক অফিস থাকার ফলে সবসময় কর্মচঞ্চল থাকে এই এলাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা , পুলিশের গাড়ির সাইরেন , ফুচকার স্বাদ , মোমোর গন্ধ , চাউমিন, প্রেমিক প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটাহাঁটি  সবসময় দেখতে অভস্ত চন্দননগর স্ট্র্যান্ড । কিন্তু লকডাউন তাল কেটে দিয়েছে । শহরবাসী এই স্ট্র্যান্ড দেখেনি কোনদিন।গুটি কয়েক লোক আর পুলিশের গাড়ি ছাড়া  স্ট্র্যান্ড  ফাঁকা । পৃথিবীর সুস্থতার লক্ষ্যে সবাই গৃহবন্দী ।একদিন প্রাণচাঞ্চল চন্দননগর স্ট্র্যান্ড আবার আগের অবস্থায় ফিরবে, আবার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকা স্বপ্ন দেখবে  এই আশা নিয়েই আপাতত নিজেদের  চন্দননগর স্ট্র্যান্ড থেকে সরিয়ে রেখেছে শহরবাসী।